স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা, টাকা ছিনতাই
jugantor
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা, টাকা ছিনতাই

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২৯ এপ্রিল ২০২১, ১৭:৪৩:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খানকে মো. ইসফাক আহম্মেদ তোহার নেতৃত্বে ১০-১২ জনের কিশোর গ্যাং হাতুড়িপেটা করে টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আহত মোয়াজ্জেম খানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী পৌর শহরের মিঠাবাজার এলাকায় বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাউন্সিলর রিয়াজ মৃধার কাছে পাওনা ৪১ হাজার টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মিঠাবাজার এলাকায় তার বাসায় সামনে কিশোর গ্যাং লিডার মো. ইসফাক আহম্মেদ তোহার নেতৃত্বে মেহেদী, জাকার, তৌকির, হাসান, রাকিব ও রবিউলসহ ১০-১২ জনের ওতপেতে থাকা কিশোর গ্যাংরা তার ওপর হামলা চালায়- এমন দাবি মোয়াজ্জেম হোসেনের।

কিশোর গ্যাংরা তাকে হাতুড়িপেটা করে তার কাছে থাকা ৭৬ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন ও দামি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে কিশোর গ্যাং পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্ততি চলছে।

আমতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আহত মোয়াজ্জেম হোসেন খান বলেন, কিশোর গ্যাং লিডার মো. ইসফাক আহম্মেদ তোহার নেতৃত্বে মেহেদী, জাকার, তৌকির, হাসান, রাকিব ও রবিউলসহ ১০-১২ জনের কিশোর গ্যাং আমাকে হাতুড়িপেটা করে আমার কাছে থাকা ৭৬ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি দামি মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। স্থানীয়রা এগিয়ে না আসলে ওরা আমাকে মেরেই ফেলত। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবি করছি।

আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রিয়াজ উদ্দিন মৃধা বলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খান আমার কাছে পাওনা ৪১ হাজার টাকা নিয়ে রাতে বাসায় ফিরছিলেন। ওই সময়ে শুনেছি তিনি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মোয়াজ্জেম খানকে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা, টাকা ছিনতাই

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২৯ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার আমতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খানকে মো. ইসফাক আহম্মেদ তোহার নেতৃত্বে ১০-১২ জনের কিশোর গ্যাং হাতুড়িপেটা করে টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

আহত মোয়াজ্জেম খানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে আমতলী পৌর শহরের মিঠাবাজার এলাকায় বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাউন্সিলর রিয়াজ মৃধার কাছে পাওনা ৪১ হাজার টাকা নিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে মিঠাবাজার এলাকায় তার বাসায় সামনে কিশোর গ্যাং লিডার মো. ইসফাক আহম্মেদ তোহার নেতৃত্বে মেহেদী, জাকার, তৌকির, হাসান, রাকিব ও রবিউলসহ ১০-১২ জনের ওতপেতে থাকা কিশোর গ্যাংরা তার ওপর হামলা চালায়- এমন দাবি মোয়াজ্জেম হোসেনের। 

কিশোর গ্যাংরা তাকে হাতুড়িপেটা করে তার কাছে থাকা ৭৬ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন ও দামি মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে কিশোর গ্যাং পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে আমতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্ততি চলছে।

আমতলী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আহত মোয়াজ্জেম হোসেন খান বলেন, কিশোর গ্যাং লিডার মো. ইসফাক আহম্মেদ তোহার নেতৃত্বে মেহেদী, জাকার, তৌকির, হাসান, রাকিব ও রবিউলসহ ১০-১২ জনের কিশোর গ্যাং আমাকে হাতুড়িপেটা করে আমার কাছে থাকা ৭৬ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের চেইন ও একটি দামি মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। স্থানীয়রা এগিয়ে না আসলে ওরা আমাকে মেরেই ফেলত। আমি এ ঘটনার শাস্তি দাবি করছি।

আমতলী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. রিয়াজ উদ্দিন মৃধা বলেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খান আমার কাছে পাওনা ৪১ হাজার টাকা নিয়ে রাতে বাসায় ফিরছিলেন। ওই সময়ে শুনেছি তিনি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন।  

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মোয়াজ্জেম খানকে যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে। 

আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম  হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন