কোম্পানীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় গভীর উদ্বেগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
jugantor
কোম্পানীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় গভীর উদ্বেগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৯ এপ্রিল ২০২১, ২১:০৭:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কোম্পানীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় গভীর উদ্বেগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও মেয়র কাদের মির্জার বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। উপজেলা পরিষদের মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত সদস্যরা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনগণের জানমাল রক্ষা ও শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কমিটির সদস্যরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ত্বরিত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জুম মিটিংয়ে সংযুক্ত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউল হক মীরের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জে অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও মেয়র কাদের মির্জা অনুসারীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে।

তারা বলেন, সংঘর্ষে গুরুতর আহত উপজেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী। তিনি তার নিজ দলীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে এখনও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেল বলেন, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন ইফতারের পর বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে মিছিল করে, এতে এশা-তারাবির নামাজ পড়ায় বিঘ্ন ঘটে। অনেকে এদের ভয়ে নামাজ পড়তেও বের হয় না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দলীয় সহিংসতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমার ১২ বছর বয়সী শিশু ছেলেটিও মামলা থেকে রেহাই পায়নি। তার নামেও দুটি মামলা হয়েছে।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুপ্রভাত চাকমা, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী সফি উল্যাহ, নুরুল হুদা, নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন, মোজাম্মেল হোসেন কামরুল, জামাল উদ্দিন লিটন, ইকবাল বাহার চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাকসহ বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

কোম্পানীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় গভীর উদ্বেগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৯ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কোম্পানীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা সভায় গভীর উদ্বেগ, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
ফাইল ছবি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও মেয়র কাদের মির্জার বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। উপজেলা পরিষদের মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থিত সদস্যরা এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনগণের জানমাল রক্ষা ও শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কমিটির সদস্যরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের পূর্বেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ত্বরিত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জুম মিটিংয়ে সংযুক্ত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিয়াউল হক মীরের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে কোম্পানীগঞ্জে অসহিষ্ণু রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিনিয়ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও মেয়র কাদের মির্জা অনুসারীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে।

তারা বলেন, সংঘর্ষে গুরুতর আহত উপজেলা পরিষদের অন্যতম সদস্য সিরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরনবী চৌধুরী। তিনি তার নিজ দলীয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়ে এখনও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

সভায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেল বলেন, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন ইফতারের পর বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে মিছিল করে, এতে এশা-তারাবির নামাজ পড়ায় বিঘ্ন ঘটে। অনেকে এদের ভয়ে নামাজ পড়তেও বের হয় না।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দলীয় সহিংসতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আমার ১২ বছর বয়সী শিশু ছেলেটিও মামলা থেকে রেহাই পায়নি। তার নামেও দুটি মামলা হয়েছে। 

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরজুমান পারভীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুপ্রভাত চাকমা, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি, ইউপি চেয়ারম্যান হাজী সফি উল্যাহ, নুরুল হুদা, নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন, মোজাম্মেল হোসেন কামরুল, জামাল উদ্দিন লিটন, ইকবাল বাহার চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাকসহ বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন