ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পর্শে ২ জনের মৃত্যু  
jugantor
ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পর্শে ২ জনের মৃত্যু  

  ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

৩০ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৫:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ইন্টারনেট সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুজন হলেন- জামিরদিয়া গ্রামের আলিম উদ্দিনের ছেলে আলফাজ উদ্দিন (২৭) ও তার কর্মচারী অমিত (২৬)।

তাদের বাঁচাতে গিয়ে আলফাজের বাবা আলিম উদ্দিনও (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাসিন যুগান্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলফাজ উদ্দিন জামিরদিয়া এলাকায় ইন্টারনেটের ব্যবসা করেন। রাতে ওই এলাকায় ইন্টারনেটের সংযোগ দেয়ার জন্য তার কর্মচারী অমিত টিনের চালায় ওঠেন।

এ সময় অমিত বিদ্যুতায়িত হয়ে চালের সঙ্গে আটকে থাকেন। নিচ থেকে আলফাজ তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনিও চালে ওঠলে বিদ্যুতায়িত হন।

খবর পেয়ে আলফাজের বাবা আলিম উদ্দিন এসে বিদ্যুতের তার কাটতে গিয়ে তিনিও বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আলফাজ ও অমিত মারা যান। আর আলিম উদ্দিনকে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ময়মনসিংহে বিদ্যুৎস্পর্শে ২ জনের মৃত্যু  

 ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
৩০ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ইন্টারনেট সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

মারা যাওয়া দুজন হলেন- জামিরদিয়া গ্রামের আলিম উদ্দিনের ছেলে আলফাজ উদ্দিন (২৭) ও তার কর্মচারী অমিত (২৬)। 

তাদের বাঁচাতে গিয়ে আলফাজের বাবা আলিম উদ্দিনও (৫৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. হাসিন যুগান্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলফাজ উদ্দিন জামিরদিয়া এলাকায় ইন্টারনেটের ব্যবসা করেন। রাতে ওই এলাকায় ইন্টারনেটের সংযোগ দেয়ার জন্য তার কর্মচারী অমিত টিনের চালায় ওঠেন। 

এ সময় অমিত বিদ্যুতায়িত হয়ে চালের সঙ্গে আটকে থাকেন। নিচ থেকে আলফাজ তাকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনিও চালে ওঠলে বিদ্যুতায়িত হন। 

খবর পেয়ে আলফাজের বাবা আলিম উদ্দিন এসে বিদ্যুতের তার কাটতে গিয়ে তিনিও বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। 

পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আলফাজ ও অমিত মারা যান। আর আলিম উদ্দিনকে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন