যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

০১ মে ২০২১, ২০:০৭:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সাতকানিয়া উপজেলা এওচিয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ তিনজন আহতের ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিককে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার ১০ নম্বর আসামি তাহসিন আরফাত জিহানকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহান পশ্চিম গাটিয়াডেঙ্গার আবু জাফরের ছেলে।

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করে থানার একজন সিনিয়র অফিসারকে তদন্তভার দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার ভোররাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের অনুসারীরা এওচিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের বাড়িতে গুলিবর্ষণ করে। এতে তার বাবা-মা, চাচাত ভাইসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এওচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিক এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি মো. আবু ছালেহ’র মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ইতোপূর্বে বহুবার দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

গত বুধবার ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের অনুসারীরা ভুত পাড়ায় গিয়ে এওচিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে মারতে যান।

যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান স্থানীয় বাজারে একটি দোকান নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মিজানুর রহমানকে না পেয়ে তার ভাই রেজাউল করিমকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং দোকানে ব্যাপক ভাংচুর চালায়।

বিষয়টি নিয়ে রেজাউল করিম হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে পূর্বের হামলাকারীরা মিজান ও তার ভাই রেজাউলের উপর আরো ক্ষিপ্ত হন। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বের হামলাকারীরা থানায় অভিযোগের কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
০১ মে ২০২১, ০৮:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
গ্রেফতার তাহসিন আরফাত জিহান। ছবি: যুগান্তর

সাতকানিয়া উপজেলা এওচিয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তার ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবলীগ নেতার বাড়িতে গুলিবর্ষণ তিনজন আহতের ঘটনায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিককে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে।

মামলার ১০ নম্বর আসামি তাহসিন আরফাত জিহানকে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহান পশ্চিম গাটিয়াডেঙ্গার আবু জাফরের ছেলে।

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করে থানার একজন সিনিয়র অফিসারকে তদন্তভার দেয়া হয়েছে।

এর আগে গত শুক্রবার ভোররাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের অনুসারীরা এওচিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের বাড়িতে গুলিবর্ষণ করে। এতে তার বাবা-মা, চাচাত ভাইসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এওচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিক এবং বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি মো. আবু ছালেহ’র মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে ইতোপূর্বে বহুবার দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

গত বুধবার ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মানিকের অনুসারীরা ভুত পাড়ায় গিয়ে এওচিয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে মারতে যান।

যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান স্থানীয় বাজারে একটি দোকান নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মিজানুর রহমানকে না পেয়ে তার ভাই রেজাউল করিমকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং দোকানে ব্যাপক ভাংচুর চালায়।

বিষয়টি নিয়ে রেজাউল করিম হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এতে পূর্বের হামলাকারীরা মিজান ও তার ভাই রেজাউলের উপর আরো ক্ষিপ্ত হন। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বের হামলাকারীরা থানায় অভিযোগের কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন