সালিশ বৈঠকে দুই নারীকে মারপিট, ভিডিও ভাইরাল
jugantor
সালিশ বৈঠকে দুই নারীকে মারপিট, ভিডিও ভাইরাল

  নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

০২ মে ২০২১, ০১:০৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফেসবুক হ্যাক নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে তিন নারীকে পেটানো হয়। ওই ঘটনায় সালিশ বৈঠকে নারীকে মারপিট করার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে।

এলাকাবাসী ও অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মীরনগর গ্রামের রাজন, মামুন, হৃদয়ের সঙ্গে একই গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লার মোবাইলের ফেসবুক হ্যাক নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। গত ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ফেসবুক আইডি হ্যাক করাকে কেন্দ্র করে বিবাদী রাজন, মামুন, হৃদয়সহ ১০-১২ একটি দল সফিকুলের বাড়ি গিয়ে আব্দুল্লাকে না পেয়ে নারীদের মারপিট করে।

এতে সফিকুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা বেগম, বোন বিথী ও লিপি আহত হন। ভুক্তভোগীরা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চায়। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় গত ২৪ এপ্রিল ইউপি সদস্য হেলালের সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মজিবর রহমানের পরিচলনায় বিকালে সালিশ বৈঠক বসে। সালিশে সেতাব, আমজাদ, জুয়েল, আকবর মিয়াসহ ১০-১২ জন হামলা করে।

সালিশ বৈঠকে বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে শত শত মানুষের সামনে দুই নারীকে মারপিট করে। মারপিটের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে।

এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সালিশ বৈঠকের সভাপতি ইউপি সদস্য হেলাল ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। সালিশ বৈঠকে তারা মারপিট করবে এটা জানলে মীমাংসায় বসতাম না।

সালিশ বৈঠকে দুই নারীকে মারপিট, ভিডিও ভাইরাল

 নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
০২ মে ২০২১, ০১:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ফেসবুক হ্যাক নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে তিন নারীকে পেটানো হয়। ওই ঘটনায় সালিশ বৈঠকে নারীকে মারপিট করার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে।

এলাকাবাসী ও অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মীরনগর গ্রামের রাজন, মামুন, হৃদয়ের সঙ্গে একই গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে আব্দুল্লার মোবাইলের ফেসবুক হ্যাক নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। গত ২২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ফেসবুক আইডি হ্যাক করাকে কেন্দ্র করে বিবাদী রাজন, মামুন, হৃদয়সহ ১০-১২ একটি দল সফিকুলের বাড়ি গিয়ে আব্দুল্লাকে না পেয়ে নারীদের মারপিট করে।

এতে সফিকুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা বেগম, বোন বিথী ও লিপি আহত হন। ভুক্তভোগীরা ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চায়। তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী ও পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় গত ২৪ এপ্রিল ইউপি সদস্য হেলালের সভাপতিত্বে ও সাবেক ইউপি সদস্য মো. মজিবর রহমানের পরিচলনায় বিকালে সালিশ বৈঠক বসে। সালিশে সেতাব, আমজাদ, জুয়েল, আকবর মিয়াসহ ১০-১২ জন হামলা করে।

সালিশ বৈঠকে বিবাদীরা পরিকল্পিতভাবে শত শত মানুষের সামনে দুই নারীকে মারপিট করে। মারপিটের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরে।

এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সালিশ বৈঠকের সভাপতি ইউপি সদস্য হেলাল ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ঘটনাটি ঘটেছে। সালিশ বৈঠকে তারা মারপিট করবে এটা জানলে মীমাংসায় বসতাম না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন