চাচা অসুস্থ বলে অপহরণ, অন্ধের কিশোরী মেয়েকে আটকে রেখে ধর্ষণ
jugantor
চাচা অসুস্থ বলে অপহরণ, অন্ধের কিশোরী মেয়েকে আটকে রেখে ধর্ষণ

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০২ মে ২০২১, ০৪:০৭:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাই থেকে চাচা অসুস্থ বলে এক অন্ধ ব্যক্তির কিশোরী মেয়েকে অপহরণের পর দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মানিকগঞ্জের কাঠিগ্রাম এলাকায় তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে।

আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনাস্থল মানিকগঞ্জ এলাকায় হওয়ায় এ ব্যাপারে মামলা নিচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে ধামরাই থানা পুলিশ সূত্র। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার ভোরে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নে বাড়িতে কিশোরী মেয়েকে একা রেখে অন্ধ বৃদ্ধ ও তার স্ত্রী অন্যের জমিতে পেঁয়াজ তোলার কাজে এবং ছেলে কালামপুর হাটে আমড়া বিক্রি করতে যায়। সকাল ৯টার দিকে প্রতিবেশী অপর নামিউদ্দিনের বখাটে ছেলে আবু তালেব (৩০) ওই বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে জানায়- তোমার চাচা গুরুতর অসুস্থ। তোমার মা-বাবা তোমার চাচাকে দেখতে গেছে। তোমাকে আমার সঙ্গে যেতে বলছে।

এ মিথ্যা কথা বলে কৌশলে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার কাটিগ্রাম এলাকায় একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে দুদিন আটকে রেখে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অপহরণকারী বখাটে ওই যুবক। বাড়িতে এসে মেয়েকে না পেয়ে এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নাজিমউদ্দিন। এর তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন এসআই মো. সেকেন্দার আলী।

শনিবার সকাল ৭টার দিকে ওই কিশোরী টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে বন্দিশালা থেকে পালিয়ে আসে। সিএনজিতে নবীনগর জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে আসে। স্থানীয় হকারদের সে তার নাম পরিচয় এবং হকার ভাইয়ের কথা জানায়। পরে তারা তাকে তার বাড়ি পৌঁছে দেয়।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে তাদেরকে মানিকগঞ্জ থানায় গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

অন্ধ নাজিম উদ্দিন জানান, আমার মেয়েকে আমার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় আবু তালেব। আমার বাড়ি ধামরাই থানায়। অথচ পুলিশ মামলা না নিয়ে আমাকে মানিকগঞ্জ সদর থানায় যেতে বলেন।

ইউপি সদস্য মো. খুরশেদ আলম জানান, এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবা আমার কাছে আসলে আমি তাকে থানায় জিডি করার জন্য ধামরাই থানায় পাঠাই। পরে মেয়ে উদ্ধার হলে সে জানায়, আবু তালেব তাকে আটিগ্রাম নিয়ে একটি বাড়িতে দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার এসআই মো. সেকেন্দার আলী বলেন, ধামরাই থেকে ওই কিশোরীকে নিয়ে গেলেও যেখানে দুদিন তাকে আটকে রাখা হয়েছে বা ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে, তা হল মানিকগঞ্জ সদর থানার আওতাধীন। কাজেই মামলা হবে মানিকগঞ্জ সদর থানায়। ভিকটিমের পরিবারকে আমরা সেখানেই যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

চাচা অসুস্থ বলে অপহরণ, অন্ধের কিশোরী মেয়েকে আটকে রেখে ধর্ষণ

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০২ মে ২০২১, ০৪:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাই থেকে চাচা অসুস্থ বলে এক অন্ধ ব্যক্তির কিশোরী মেয়েকে অপহরণের পর দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মানিকগঞ্জের কাঠিগ্রাম এলাকায় তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে।

আটকে রেখে ধর্ষণের ঘটনাস্থল মানিকগঞ্জ এলাকায় হওয়ায় এ ব্যাপারে মামলা নিচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে ধামরাই থানা পুলিশ সূত্র। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার ভোরে উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নে বাড়িতে কিশোরী মেয়েকে একা রেখে অন্ধ বৃদ্ধ ও তার স্ত্রী অন্যের জমিতে পেঁয়াজ তোলার কাজে এবং ছেলে কালামপুর হাটে আমড়া বিক্রি করতে যায়। সকাল ৯টার দিকে প্রতিবেশী অপর নামিউদ্দিনের বখাটে ছেলে আবু তালেব (৩০) ওই বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে জানায়- তোমার চাচা গুরুতর অসুস্থ। তোমার মা-বাবা তোমার চাচাকে দেখতে গেছে। তোমাকে আমার সঙ্গে যেতে বলছে।

এ মিথ্যা কথা বলে কৌশলে ওই কিশোরীকে অপহরণ করে মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার কাটিগ্রাম এলাকায় একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে দুদিন আটকে রেখে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে অপহরণকারী বখাটে ওই যুবক। বাড়িতে এসে মেয়েকে না পেয়ে এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন নাজিমউদ্দিন। এর তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন এসআই মো. সেকেন্দার আলী।

শনিবার সকাল ৭টার দিকে ওই কিশোরী টয়লেটে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে বন্দিশালা থেকে পালিয়ে আসে। সিএনজিতে নবীনগর জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে আসে। স্থানীয় হকারদের সে তার নাম পরিচয় এবং হকার ভাইয়ের কথা জানায়। পরে তারা তাকে তার বাড়ি পৌঁছে দেয়।

এ ব্যাপারে ধামরাই থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ না করে তাদেরকে মানিকগঞ্জ থানায় গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেয়।

অন্ধ নাজিম উদ্দিন জানান, আমার মেয়েকে আমার বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় আবু তালেব। আমার বাড়ি ধামরাই থানায়। অথচ পুলিশ মামলা না নিয়ে আমাকে মানিকগঞ্জ সদর থানায় যেতে বলেন।

ইউপি সদস্য মো. খুরশেদ আলম জানান, এ ব্যাপারে মেয়েটির বাবা আমার কাছে আসলে আমি তাকে থানায় জিডি করার জন্য ধামরাই থানায় পাঠাই। পরে মেয়ে উদ্ধার হলে সে জানায়, আবু তালেব তাকে আটিগ্রাম নিয়ে একটি বাড়িতে দুদিন আটকে রেখে ধর্ষণ করেছে।
 
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা ধামরাই থানার এসআই মো. সেকেন্দার আলী বলেন, ধামরাই থেকে ওই কিশোরীকে নিয়ে গেলেও যেখানে দুদিন তাকে আটকে রাখা হয়েছে বা ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়েছে, তা হল মানিকগঞ্জ সদর থানার আওতাধীন। কাজেই মামলা হবে মানিকগঞ্জ সদর থানায়। ভিকটিমের পরিবারকে আমরা সেখানেই যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন