ঋণের দায়ে প্রতিবন্ধী যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
ঋণের দায়ে প্রতিবন্ধী যুবকের আত্মহত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, গাজীপুর  

০২ মে ২০২১, ১৪:১৫:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

লাশ উদ্ধার

গাজীপুরের শ্রীপুরে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে রুবেল মিয়া (৩৫) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার বিকালে শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের ডোমবাড়িচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুবেল ওই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। তার পায়ের আঙুল না থাকায় তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন। তাই এনজিওর কিস্তি পরিশোধে সাময়িকভাবে বিপাকে পড়েন।

নিহতের স্ত্রী সেলিনা খাতুনের থানায় দেওয়া আবেদন সূত্রে জানা যায়, সাংসারিক বিভিন্ন অভাব-অনটনের কারণে আমার স্বামী প্রিদিম সমিতি থেকে ২২ হাজার টাকা ঋণগ্রহণ করে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সংসারের আয় না থাকায় যথাসময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। কিন্তু সমিতির লোকজন কিস্তি পরিশোধের জন্য আমার স্বামীকে চাপ দিতে থাকেন।

কিস্তি পরিশোধের চাপে দুপুরের দিকে বাড়িতে বিষপান করেন আমার স্বামী। পরে তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থা অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পথে ভালুকা এলাকায় গাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

শ্রীপুর থানার এসআই জিন্নাহ যুগান্তরকে বলেন, কাজকাম করতে না পারায় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি রুবেল। শনিবার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জোগাড় করতে না পেরে কিস্তির চাপে বিষপানে আত্মহত্যা করে।

খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

ঋণের দায়ে প্রতিবন্ধী যুবকের আত্মহত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, গাজীপুর 
০২ মে ২০২১, ০২:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাশ উদ্ধার
ফাইল ছবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পেরে রুবেল মিয়া (৩৫) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার বিকালে শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের ডোমবাড়িচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুবেল ওই গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। তার পায়ের আঙুল না থাকায় তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েন। তাই এনজিওর কিস্তি পরিশোধে সাময়িকভাবে বিপাকে পড়েন।

নিহতের স্ত্রী সেলিনা খাতুনের থানায় দেওয়া আবেদন সূত্রে জানা যায়, সাংসারিক বিভিন্ন অভাব-অনটনের কারণে আমার স্বামী প্রিদিম সমিতি থেকে ২২ হাজার টাকা ঋণগ্রহণ করে।

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সংসারের আয় না থাকায় যথাসময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। কিন্তু সমিতির লোকজন কিস্তি পরিশোধের জন্য আমার স্বামীকে চাপ দিতে থাকেন।

কিস্তি পরিশোধের চাপে দুপুরের দিকে বাড়িতে বিষপান করেন আমার স্বামী। পরে তাকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থা অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পথে ভালুকা এলাকায় গাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

শ্রীপুর থানার এসআই জিন্নাহ যুগান্তরকে বলেন, কাজকাম করতে না পারায় কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে পারেনি রুবেল। শনিবার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জোগাড় করতে না পেরে কিস্তির চাপে বিষপানে আত্মহত্যা করে।

খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়। প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যুর মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন