ঘুষ চাওয়ায় গণধোলাই
jugantor
ঘুষ চাওয়ায় গণধোলাই

  ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০২ মে ২০২১, ১৮:১৮:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যক্তি মালিকানা জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকালে বনপ্রহরী কর্তৃক ঘুষ দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় এলাকার লোকজন জড়ো হলে রুবেল ও মকবুল নামে দুই প্রহরী আত্মরক্ষার্থে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলার আখালিয়া গ্রামে। ঘটনাস্থল ১২৫৮নং সিএস দাগ হলেও বনবিজ্ঞপ্তি ১২১৭নং দাগ উল্লেখ করে চারজনের নামে বনবিভাগ থানায় মামলা দায়ের করেছে।

স্থানীয়রা জানান, সৈয়দ নাজমুল হক আখালিয়া এলাকায় ধামশুর মৌজার ১২৫৮নং সিএস দাগে ১ একর ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে শনিবার সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করে। এ সময় মেহেরাবাড়ি ক্যাম্পের বনপ্রহরী রুবেল ও মকবুল হোসেন গিয়ে নাজমুল হকের কেয়ারটেকার বাবুল মিয়ার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

প্রতি উত্তরে বাবুল বন বিভাগের লোকজনকে জানান, এজমি সিএস, আরওআররের জমি বর্তমান বিআরএস পর্যন্ত আমাদের নামে চূড়ান্ত হয়েছে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই বনপ্রহরী বাবুলের ওপর হামলা করে। স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে নারী-পুরুষরা ঝাড়ু ও লাঠিসোটা নিয়ে বনের লোকজনের ওপর হামলা করে।

এ সময় রুবেল ও মাকবুল দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আত্মগোপন করে। খবর পেয়ে ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন ভালুকা মডেল থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই দুই প্রহরীকে উদ্ধার করে। ঘটনার পর বাবুল, বনপ্রহরী রুবেল ও মকবুল হোসেন ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

এ ঘটনায় মেহেরাবাড়ি ক্যাম্প কর্মকর্তা সাফেরুজ্জামান বাদী হয়ে চারজনের নামে ভালুকা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা খাতুন জানান, আমরা বনের লোকজনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। পানি খাওয়ার জন্য টিউবওয়েল স্থাপন করলেও বনপ্রহরী রুবেল গংদের টাকা দিতে হয়।

বাবুল জানান, ১২৫৮নং দাগের এ জমিতে বনের কোনো দাবি নেই, তারপরও বনপ্রহরী রুবেল ও মকবুল এসে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা দুজনে আমার ওপর হামলা করে আমাকে আহত করে।

ভালুকা মডেল থানার এসআই বিল্লাল হোসেন জানান, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়েছে। জমির মালিকদের তাদের কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলা হয়েছে।

ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন জানান, স্থানীয় লোকজন আমার দুই স্টাফের ওপর হামলা করে আহত করেছে। তারা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। জমির মালিকদের তাদের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে বলেছি।

ঘুষ চাওয়ায় গণধোলাই

 ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০২ মে ২০২১, ০৬:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ব্যক্তি মালিকানা জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণকালে বনপ্রহরী কর্তৃক ঘুষ দাবিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় এলাকার লোকজন জড়ো হলে রুবেল ও মকবুল নামে দুই প্রহরী আত্মরক্ষার্থে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলার আখালিয়া গ্রামে। ঘটনাস্থল ১২৫৮নং সিএস দাগ হলেও বনবিজ্ঞপ্তি ১২১৭নং দাগ উল্লেখ করে চারজনের নামে বনবিভাগ থানায় মামলা দায়ের করেছে।

স্থানীয়রা জানান, সৈয়দ নাজমুল হক আখালিয়া এলাকায় ধামশুর মৌজার ১২৫৮নং সিএস দাগে ১ একর ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে শনিবার সকালে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করে। এ সময় মেহেরাবাড়ি ক্যাম্পের বনপ্রহরী  রুবেল ও মকবুল হোসেন গিয়ে নাজমুল হকের কেয়ারটেকার বাবুল মিয়ার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।

প্রতি উত্তরে বাবুল বন বিভাগের লোকজনকে জানান, এজমি সিএস, আরওআররের জমি বর্তমান বিআরএস পর্যন্ত আমাদের নামে চূড়ান্ত হয়েছে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই বনপ্রহরী বাবুলের ওপর হামলা করে। স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে নারী-পুরুষরা ঝাড়ু ও লাঠিসোটা নিয়ে বনের লোকজনের ওপর হামলা করে।

এ সময় রুবেল ও মাকবুল দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আত্মগোপন করে। খবর পেয়ে ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন ভালুকা মডেল থানা পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ওই দুই প্রহরীকে উদ্ধার করে। ঘটনার পর বাবুল, বনপ্রহরী রুবেল ও মকবুল হোসেন ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।

এ ঘটনায় মেহেরাবাড়ি ক্যাম্প কর্মকর্তা সাফেরুজ্জামান বাদী হয়ে চারজনের নামে ভালুকা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা খাতুন জানান, আমরা বনের লোকজনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ। পানি খাওয়ার জন্য টিউবওয়েল স্থাপন করলেও বনপ্রহরী রুবেল গংদের টাকা দিতে হয়।

বাবুল জানান, ১২৫৮নং দাগের এ জমিতে বনের কোনো দাবি নেই, তারপরও বনপ্রহরী রুবেল ও মকবুল এসে আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে। সেই টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা দুজনে আমার ওপর হামলা করে আমাকে আহত করে।

ভালুকা মডেল থানার এসআই বিল্লাল হোসেন জানান, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হয়েছে। জমির মালিকদের তাদের কাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলা হয়েছে।

ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন জানান, স্থানীয় লোকজন আমার দুই স্টাফের ওপর হামলা করে আহত করেছে। তারা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। জমির মালিকদের তাদের কাগজপত্র নিয়ে অফিসে আসতে বলেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন