যে অফিসে ‘আগে ঘুষ পরে কাজ’
jugantor
যে অফিসে ‘আগে ঘুষ পরে কাজ’

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০২ মে ২০২১, ২০:০৫:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘুষ

ছাতকে পল্লী বিদ্যুতে অফিসে আগে টাকা পরে কাজ- এ যেন ঘুষ বাণিজ্যের ওপেন সিন্ডিকেট একাকার হয়ে গেছে। এখানে বিদ্যুতের সরকারি ফি জমা দিলেও টাকা ছাড়া কিছুই হচ্ছে না। এতে গ্রাহক হয়রানি চরম আকার ধারণ করছে।

ছাতকে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি, লাইন অপসারণ, মিটার বিকল, মিটার পরিবর্তন, লোড বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সেবায় গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছে গেছে। সরকারি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়েও ঘুষ না দিলে গ্রাহকদের দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এ যেন পল্লী বিদ্যুৎ আর ঘুষ এখানে একাকার হয়ে পড়েছে।

সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গোবিন্দগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এসব ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সোমবার গ্রাহক হয়রানির প্রতিবাদে পজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় এক মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলার তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফিজ আব্দুল হাই একটি নতুন বিদ্যুতের খুঁটির জন্য আবেদন করেন। ওই কারণে তিনি নির্ধারিত ফি ও জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখানে সমস্যা একটাই ওই গ্রাহক ঘুষ দিতে নারাজ। এ কারণে তিনি এখনো সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বরাবরেও একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

এদিকে ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের দিঘলী রামপুর গ্রামে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ খুঁটি অপসারণের জন্য গ্রামবাসীর পক্ষে যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন করলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। এছাড়া ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, মিটার রিডিং না দেখে অতিরিক্ত বিল, গ্রাহকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ এখানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘুষ দুর্নীতির বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে অবহিত করেছেন উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। অনেক ক্ষেত্রে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক সুয়েবুর রহমানের সুপারিশকেও অগ্রাহ্য করে অনিয়ম দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এ শাখায়।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গোবিন্দগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম মনিরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার অফিসে গ্রাহক হয়রানিসহ এসব অভিযোগ সত্য নয়।

যে অফিসে ‘আগে ঘুষ পরে কাজ’

 ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০২ মে ২০২১, ০৮:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঘুষ
প্রতীকী ছবি

ছাতকে পল্লী বিদ্যুতে অফিসে আগে টাকা পরে কাজ- এ যেন ঘুষ বাণিজ্যের ওপেন সিন্ডিকেট একাকার হয়ে গেছে। এখানে বিদ্যুতের সরকারি ফি জমা দিলেও টাকা ছাড়া কিছুই হচ্ছে না। এতে গ্রাহক হয়রানি চরম আকার ধারণ করছে।

ছাতকে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ, ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি, লাইন অপসারণ, মিটার বিকল, মিটার পরিবর্তন, লোড বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সেবায় গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছে গেছে। সরকারি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নির্ধারিত ফি জমা দিয়েও ঘুষ না দিলে গ্রাহকদের দিনের পর দিন হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। এ যেন পল্লী বিদ্যুৎ আর ঘুষ এখানে একাকার হয়ে পড়েছে।

সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গোবিন্দগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এসব ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সোমবার গ্রাহক হয়রানির প্রতিবাদে পজেলার গোবিন্দগঞ্জ ট্রাফিক পয়েন্ট এলাকায় এক মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। 

উপজেলার তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা হাফিজ আব্দুল হাই একটি নতুন বিদ্যুতের খুঁটির জন্য আবেদন করেন। ওই কারণে তিনি নির্ধারিত ফি ও জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখানে সমস্যা একটাই ওই গ্রাহক ঘুষ দিতে নারাজ। এ কারণে তিনি এখনো সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বরাবরেও একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে।

এদিকে ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের দিঘলী রামপুর গ্রামে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুৎ খুঁটি অপসারণের জন্য গ্রামবাসীর পক্ষে যথাযথ নিয়ম মেনে আবেদন করলেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা। এছাড়া ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, মিটার রিডিং না দেখে অতিরিক্ত বিল, গ্রাহকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ এখানে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘুষ দুর্নীতির বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে অবহিত করেছেন উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা। অনেক ক্ষেত্রে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক সুয়েবুর রহমানের সুপারিশকেও অগ্রাহ্য করে অনিয়ম দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তোলা হচ্ছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এ শাখায়।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গোবিন্দগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম মনিরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার অফিসে গ্রাহক হয়রানিসহ এসব অভিযোগ সত্য নয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন