পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হয়ে ফিরলেন সীমা
jugantor
পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হয়ে ফিরলেন সীমা

  সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি  

০২ মে ২০২১, ২০:৫৯:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করার ১ বছর পর লাশ হয়ে ফিরলেন সীমা নামে এক গৃহবধূ। সীমা ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

বিগত বছরের ১০ রমজান পরিবারের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে পাশের এলাকার আকাশের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সীমা। ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার রাতে গ্রামের বাড়িতে সীমার লাশ দাফন করা হয়।

সীমা সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরগোপালগাঁও গ্রামের ইতালি প্রবাসী মো. ইব্রাহীমের মেয়ে। তার স্বামী বগাদানা ইউনিয়নের মৃত ওবায়দুল হকের ছোট ছেলে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ আকাশ। তাকে বৃহস্পতিবার রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

নিহতের পরিবার জানায়, এক বছর আগে আকাশের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পালিয়ে বিয়ে করে জয়নাল হাজারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সীমা। এরপর থেকে তারা ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাড়া বাসায় থাকতো। বৃহস্পতিবার রাতে আকাশের মোবাইল থেকে সীমার বাবাকে ফোন করে জানানো হয় তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঢাকার উত্তর বাড্ডা এলাকায় ভাড়া বাসায় তার লাশ আছে।

খবর পেয়ে সীমার বাবা ইব্রাহীম ওই বাসায় গিয়ে জানতে পারেন ভাটরা থানার পুলিশ তার কন্যা ও ভূমিষ্ঠ নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার রাতে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

সীমার বাবা মো. ইব্রাহীম বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি ঢাকার ভাটারা থানায় আকাশকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

পালিয়ে বিয়ের পর লাশ হয়ে ফিরলেন সীমা

 সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি 
০২ মে ২০২১, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর সোনাগাজীতে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে বিয়ে করার ১ বছর পর লাশ হয়ে ফিরলেন সীমা নামে এক গৃহবধূ। সীমা ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

বিগত বছরের ১০ রমজান পরিবারের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে পাশের এলাকার আকাশের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সীমা। ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার রাতে গ্রামের বাড়িতে সীমার লাশ দাফন করা হয়।

সীমা সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর ইউনিয়নের চরগোপালগাঁও গ্রামের ইতালি প্রবাসী মো. ইব্রাহীমের মেয়ে। তার স্বামী বগাদানা ইউনিয়নের মৃত ওবায়দুল হকের ছোট ছেলে আবদুল্লাহ আল মাহমুদ আকাশ। তাকে বৃহস্পতিবার রাতেই পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে।

নিহতের পরিবার জানায়, এক বছর আগে আকাশের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে পালিয়ে বিয়ে করে জয়নাল হাজারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী সীমা। এরপর থেকে তারা ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভাড়া বাসায় থাকতো। বৃহস্পতিবার রাতে আকাশের মোবাইল থেকে সীমার বাবাকে ফোন করে জানানো হয় তার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঢাকার উত্তর বাড্ডা এলাকায় ভাড়া বাসায় তার লাশ আছে।

খবর পেয়ে সীমার বাবা ইব্রাহীম ওই বাসায় গিয়ে জানতে পারেন ভাটরা থানার পুলিশ তার কন্যা ও ভূমিষ্ঠ নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার রাতে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

সীমার বাবা মো. ইব্রাহীম বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমি ঢাকার ভাটারা থানায় আকাশকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন