বিধবার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের সময় মেম্বার ধরা, অতঃপর...
jugantor
বিধবার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের সময় মেম্বার ধরা, অতঃপর...

  ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৩ মে ২০২১, ০০:৪২:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিধবার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের সময় জনতার হাতে ধরা পড়েছেন এক ইউপি সদস্য। এর পর তাদের বিয়ে দিয়েছে স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার উচাখিলা ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম শনিবার রাতে ১২টার দিকে বিধবার ঘরে গিয়ে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করতে চাইলে জনতার হাতে সে ধরা পড়েন। পরে বিষয়টি ধামাচাপার দেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের মধ্যে মতবিরোধের সৃষ্টি হলে উত্তেজনা দেখা দেয়।

এক পর্যায়ে ইউপি সদস্যের লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে বিধবার ভাই ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। রোববার ভোরে ইউপি সদস্য বিধাবাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়ায় স্থানীয়রা নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এনে সাড়ে ৩ লাখ টাকা দেনমহরে বিবাহ সম্পন্ন করেন।

এ ব্যাপারে বিধবার দুই ভাই জানায়, ওই ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই তার বোনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ৯৯৯ ফোন দেন।

বিধবার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, রোববার ভোরে ইউপি সদস্যের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। বর্তমানে তিনি ইউপি সদস্যের ভাইয়ের শ্বশুরবাড়িতে তার সঙ্গে আছেন।

ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় নিকাহ রেজিস্টার মাহাবুবুর রহমান সাড়ে ৩ লাখ টাকা দেনমহরে ইউপি সদস্য সাইফুল ও ওই বিধবার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ৯৯৯ ফোনের প্রেক্ষিতে একজন অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে শুনেছি তাদের বিয়ে হয়েছে।

বিধবার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের সময় মেম্বার ধরা, অতঃপর...

 ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৩ মে ২০২১, ১২:৪২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিধবার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের সময় জনতার হাতে ধরা পড়েছেন এক ইউপি সদস্য। এর পর তাদের বিয়ে দিয়েছে স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার উচাখিলা ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম শনিবার রাতে ১২টার দিকে বিধবার ঘরে গিয়ে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করতে চাইলে জনতার হাতে সে ধরা পড়েন। পরে বিষয়টি ধামাচাপার দেয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের মধ্যে মতবিরোধের সৃষ্টি হলে উত্তেজনা দেখা দেয়।

এক পর্যায়ে ইউপি সদস্যের লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিতে চাইলে বিধবার ভাই ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। রোববার ভোরে ইউপি সদস্য বিধাবাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়ায় স্থানীয়রা নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এনে সাড়ে ৩ লাখ টাকা দেনমহরে বিবাহ সম্পন্ন করেন।

এ ব্যাপারে বিধবার দুই ভাই জানায়, ওই ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই তার বোনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ৯৯৯ ফোন দেন।

বিধবার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, রোববার ভোরে ইউপি সদস্যের সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছে। বর্তমানে তিনি ইউপি সদস্যের ভাইয়ের শ্বশুরবাড়িতে তার সঙ্গে আছেন।

ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় নিকাহ রেজিস্টার মাহাবুবুর রহমান সাড়ে ৩ লাখ টাকা দেনমহরে ইউপি সদস্য সাইফুল ও ওই বিধবার বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ৯৯৯ ফোনের প্রেক্ষিতে একজন অফিসারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হলে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে শুনেছি তাদের বিয়ে হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন