চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালে বহির্বিভাগে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
jugantor
চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালে বহির্বিভাগে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

  আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো  

০৩ মে ২০২১, ২৩:১১:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি আইন অনুযায়ী বহির্বিভাগের টিকিটের মূল্য ৩ টাকা হলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতি রোগীর কাছ থেকে ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।

হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যোগসাজশেই এমন অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে রোগীরা প্রতিবাদ করলেও হাসপাতালের দালাল ও স্টাফদের হাতে অপমান এবং লাঞ্ছিত হতে হয়।

এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৫-৬শ’ রোগী বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করে থাকেন।

জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে হলে প্রতি রোগীকে ৩ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র ভিন্ন। এখানে দীর্ঘদিন যাবত সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৩ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা এখন এ হাসপাতালে নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে।

রোগীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই হাসপাতালে বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, শত শত রোগীর কাছ থেকে প্রকাশ্যেই কাউন্টারে কর্তব্যরত স্টাফরা ৫ টাকা করে আদায় করছেন। নিয়মনীতিকে উপেক্ষা করে এমন অর্থ আদায় চলছে দীর্ঘদিন যাবত।

এসব বিষয় নিয়ে কোনো রোগী প্রতিবাদ করলে হাসপাতালে নিযুক্ত বহিরাগত দালালদের হাতে লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর রহমান অতিরিক্ত অর্থ আদায় থেকে ভাগ নেন।

যদিও তিনি এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমি বহির্বিভাগে আদায়কৃত অতিরিক্ত টাকা হাসপাতালের বিভিন্ন কাজে ব্যয় করে থাকি।

তিনি জানান, নিয়মিত ৫ টাকা নেয়া হয় না, ভাংতি টাকা না থাকলে মাঝে-মধ্যে ৫ টাকা রেখে দেন স্টাফরা। অতিরিক্ত এসব অর্থ দিয়ে হাসপাতালে অস্থায়ীভাবে নিযুক্ত একজন আয়া ও একজন অফিস স্টাফের বেতন দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং এ টাকা হাসপাতালে বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে স্টাফদের বেতন দেয়ার কোনো বিধান নেই। বহির্বিভাগ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং স্টাফদের বেতনের বিষয়টি তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চৌদ্দগ্রাম হাসপাতালে বহির্বিভাগে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ

 আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো 
০৩ মে ২০২১, ১১:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারি আইন অনুযায়ী বহির্বিভাগের টিকিটের মূল্য ৩ টাকা হলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতি রোগীর কাছ থেকে ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে।

হাসপাতালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার যোগসাজশেই এমন অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে রোগীরা প্রতিবাদ করলেও হাসপাতালের দালাল ও স্টাফদের হাতে অপমান এবং লাঞ্ছিত হতে হয়।

এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন গড়ে ৫-৬শ’ রোগী বহির্বিভাগ থেকে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করে থাকেন।

জানা যায়, সরকারি হাসপাতালে বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে হলে প্রতি রোগীকে ৩ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র ভিন্ন। এখানে দীর্ঘদিন যাবত সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৩ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা এখন এ হাসপাতালে নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে।

রোগীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওই হাসপাতালে বহির্বিভাগে গিয়ে দেখা যায়, শত শত রোগীর কাছ থেকে প্রকাশ্যেই কাউন্টারে কর্তব্যরত স্টাফরা ৫ টাকা করে আদায় করছেন। নিয়মনীতিকে উপেক্ষা করে এমন অর্থ আদায় চলছে দীর্ঘদিন যাবত।

এসব বিষয় নিয়ে কোনো রোগী প্রতিবাদ করলে হাসপাতালে নিযুক্ত বহিরাগত দালালদের হাতে লাঞ্ছিত ও মারধরের শিকার হতে হয়। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর রহমান অতিরিক্ত অর্থ আদায় থেকে ভাগ নেন।

যদিও তিনি এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমি বহির্বিভাগে আদায়কৃত অতিরিক্ত টাকা হাসপাতালের বিভিন্ন কাজে ব্যয় করে থাকি।

তিনি জানান, নিয়মিত ৫ টাকা নেয়া হয় না, ভাংতি টাকা না থাকলে মাঝে-মধ্যে ৫ টাকা রেখে দেন স্টাফরা। অতিরিক্ত এসব অর্থ দিয়ে হাসপাতালে অস্থায়ীভাবে নিযুক্ত একজন আয়া ও একজন অফিস স্টাফের বেতন দেয়া হচ্ছে।

কিন্তু অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং এ টাকা হাসপাতালে বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের কোনো নিয়ম নেই বলে জানিয়েছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

এ ব্যাপারে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন ডা. মীর মোবারক হোসাইন বলেন, হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে স্টাফদের বেতন দেয়ার কোনো বিধান নেই। বহির্বিভাগ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং স্টাফদের বেতনের বিষয়টি তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন