হেফাজতের ২ নেতার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগ সভাপতির এজাহার
jugantor
হেফাজতের ২ নেতার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগ সভাপতির এজাহার

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

০৪ মে ২০২১, ১৭:৪৭:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা মেহেদী হাসান ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে। মামলাটি এখনও নথিভুক্ত হয়নি।

সোমবার রাতে সদর মডেল থানায় মামলার আবেদন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল। এই মামলার এজাহারে মাওলানা মেহেদী ও মুফতি আমজাদ ছাড়াও সানাউল হক চৌধুরী নামের আরেকজনকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, হেফাজতে ইসলামের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারটি পেয়েছি। তা নিয়ে আমি ঊর্ধ্বতনদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির আবেদন করা ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংগঠিত হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে প্রত্যক্ষভাবে আসামিরা মদদ দিয়েছেন। এই তাণ্ডবের ঘটনা নিয়ে মাওলানা মেহেদী হাসান তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন। যার উদ্দেশ্য ছিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর মানহানি করা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির করা।

মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, মেহেদী তার সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে মোকতাদির চৌধুরী এমপিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় হামলাকারী উল্লেখ করে ফাঁসি দাবি করেন। মেহেদীর ওই স্ট্যাটাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর অভিপ্রায়ে বাকি দুই আসামি প্রচার করেন।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় মাদ্রাসার ছাত্র ও হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা।

এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাক বাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় নিহত হয় ১২ জন। এই ঘটনায় মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩৫ হাজার অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

হেফাজতের ২ নেতার বিরুদ্ধে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রলীগ সভাপতির এজাহার

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
০৪ মে ২০২১, ০৫:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা মেহেদী হাসান ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমজাদ হোসাইন আশরাফীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে। মামলাটি এখনও নথিভুক্ত হয়নি। 

সোমবার রাতে সদর মডেল থানায় মামলার আবেদন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল। এই মামলার এজাহারে মাওলানা মেহেদী ও মুফতি আমজাদ ছাড়াও সানাউল হক চৌধুরী নামের আরেকজনকে আসামি করা হয়েছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, হেফাজতে ইসলামের নেতাদের বিরুদ্ধে মামলার এজাহারটি পেয়েছি। তা নিয়ে আমি ঊর্ধ্বতনদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির আবেদন করা ওই মামলার এজাহারে বলা হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংগঠিত হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে প্রত্যক্ষভাবে আসামিরা মদদ দিয়েছেন। এই তাণ্ডবের ঘটনা নিয়ে মাওলানা মেহেদী হাসান তার ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন। যার উদ্দেশ্য ছিল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর মানহানি করা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতির করা।

মামলার আবেদনে আরও বলা হয়, মেহেদী তার সেই ফেসবুক স্ট্যাটাসে মোকতাদির চৌধুরী এমপিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসায় হামলাকারী উল্লেখ করে ফাঁসি দাবি করেন। মেহেদীর ওই স্ট্যাটাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটানোর অভিপ্রায়ে বাকি দুই আসামি প্রচার করেন।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় মাদ্রাসার ছাত্র ও হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা।

এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেসক্লাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাক বাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় নিহত হয় ১২ জন। এই ঘটনায় মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ করে ৩৫ হাজার অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : হেফাজতে অস্থিরতা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন