জামালপুরে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা
jugantor
জামালপুরে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

  জামালপুর প্রতিনিধি  

০৪ মে ২০২১, ১৯:৪৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে বাবুল মিয়া (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে রাতেই চারজনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ।

নিহত বাবুল মিয়া সাধুপুর গ্রামের মুনছর আলী শেখের ছেলে।

আটককৃতরা হলেন- সাধুপুর গ্রামের সরাফত আলীর ছেলে বাদশা (৩০), তয়েজ মণ্ডলের ছেলে শরাফত আলী ফেকু (৫৫), লাল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও সরাফত আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, সোমবার বাবুল মিয়ার সঙ্গে ধানক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার জেঠা জয়নাল শেখের কথাকাটাকাটি হয়। পরে জয়নালের লোকজন পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাবুল মিয়াকে। স্থানীয়রা আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান বাবুল মিয়া।

মেলান্দহ থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতর বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে নন্দ আলী শেখের ছেলে লাল মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাবুল মিয়ার জেঠাতো ভাই বাদশা মিয়া ও বাদশার শ্বশুর শরাফত আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বাঘা জানান, নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বাবুল মিয়া। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

জামালপুরে যুবলীগ সভাপতিকে পিটিয়ে হত্যা

 জামালপুর প্রতিনিধি 
০৪ মে ২০২১, ০৭:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ধান ক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধে বাবুল মিয়া (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযান চালিয়ে রাতেই চারজনকে আটক করেছে মেলান্দহ থানা পুলিশ।

নিহত বাবুল মিয়া সাধুপুর গ্রামের মুনছর আলী শেখের ছেলে।

আটককৃতরা হলেন- সাধুপুর গ্রামের সরাফত আলীর ছেলে বাদশা (৩০), তয়েজ মণ্ডলের ছেলে শরাফত আলী ফেকু (৫৫), লাল মিয়ার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) ও সরাফত আলীর স্ত্রী সফুরা খাতুন (৪০)।

জানা গেছে, সোমবার বাবুল মিয়ার সঙ্গে ধানক্ষেতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে তার জেঠা জয়নাল শেখের কথাকাটাকাটি হয়। পরে জয়নালের লোকজন পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাবুল মিয়াকে। স্থানীয়রা আহত বাবুল মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান বাবুল মিয়া।

মেলান্দহ থানার ওসি এমএম ময়নুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহতর বড় ভাই মুক্তি শেখ বাদী হয়ে নন্দ আলী শেখের ছেলে লাল মিয়াসহ ১৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। রাতেই অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাবুল মিয়ার জেঠাতো ভাই বাদশা মিয়া ও বাদশার শ্বশুর শরাফত আলীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন বাঘা জানান, নয়ানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ছিলেন বাবুল মিয়া। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন