সেহরিতে স্ত্রীকে বলল বাড়ি এসে মার্কেট করব, সকালে পদ্মায় লাশ
jugantor
সেহরিতে স্ত্রীকে বলল বাড়ি এসে মার্কেট করব, সকালে পদ্মায় লাশ

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

০৪ মে ২০২১, ১৯:৫৩:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সোমবার সকালে শিবচর কাঁঠালবাড়ি ঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে নোঙর করা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে অতিরিক্ত যাত্রীবাহী স্পিডবোট সংঘর্ষে নিহত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মাদারীপুর জেলার রাজৈরের তাহের মীর। তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

নিহত তাহের মীর (৩৫) রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের শংকরদী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। মা, স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তার সংসার। তিনি ঢাকার উত্তরায় ফার্নিচারের কাজ করতেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তাহের। তাকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন সংসারের সব সদস্য।

রোববার রাতে সেহরি খাওয়ার সময় তাহের তার স্ত্রীকে মোবাইলে ফোন করে বলেছিলেন আমি বাড়িতে এসে ঈদের মার্কেট করে দিব।

মঙ্গলবার যুগান্তর প্রতিবেদক নিহতের বাড়িতে গেলে বারবার মূর্ছা গিয়ে এমন কথাই বলেছিলেন নিহত তাহের মীরের স্ত্রী সুফিয়া বেগম।

তিনি বলেন, আমার শাশুড়ি হাসিনা বেগম (৬৫) ছেলে ছাব্বির মীর (১৮), বড় মেয়ে তানহা আক্তার (১৪) ও ছোট মেয়ে রাদিয়া আক্তার (৭)। আমার ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। এখন কীভাবে এদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার খরচ চালাব আপনারাই বলেন।

নিহত তাহেরের সঙ্গে থাকা ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া একই এলাকার মো. মারুফ ও সোহাগ মীর জানান, সোমবার সকালে আমরা একসঙ্গে তিনজন বাড়িতে আসার জন্য স্পিডবোটে উঠি। এ সময় স্পিডবোটচালক অনেক গাদাগাদি করে লোকজন বোঝাই করে দ্রুতগতিতে চালানোর ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সেহরিতে স্ত্রীকে বলল বাড়ি এসে মার্কেট করব, সকালে পদ্মায় লাশ

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
০৪ মে ২০২১, ০৭:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সোমবার সকালে শিবচর কাঁঠালবাড়ি ঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে নোঙর করা একটি বাল্কহেডের সঙ্গে অতিরিক্ত যাত্রীবাহী স্পিডবোট সংঘর্ষে নিহত ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন মাদারীপুর জেলার রাজৈরের তাহের মীর। তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

নিহত তাহের মীর (৩৫) রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের শংকরদী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। মা, স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তার সংসার। তিনি ঢাকার উত্তরায় ফার্নিচারের কাজ করতেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তাহের। তাকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন সংসারের সব সদস্য।

রোববার রাতে সেহরি খাওয়ার সময় তাহের তার স্ত্রীকে মোবাইলে ফোন করে বলেছিলেন আমি বাড়িতে এসে ঈদের মার্কেট করে দিব। 

মঙ্গলবার যুগান্তর প্রতিবেদক নিহতের বাড়িতে গেলে বারবার মূর্ছা গিয়ে এমন কথাই বলেছিলেন নিহত তাহের মীরের স্ত্রী সুফিয়া বেগম।

তিনি বলেন, আমার শাশুড়ি হাসিনা বেগম (৬৫) ছেলে ছাব্বির মীর (১৮), বড় মেয়ে তানহা আক্তার (১৪) ও ছোট মেয়ে রাদিয়া আক্তার (৭)। আমার ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে। এখন কীভাবে এদের ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার খরচ চালাব আপনারাই বলেন।

নিহত তাহেরের সঙ্গে থাকা ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া একই এলাকার মো. মারুফ ও সোহাগ মীর জানান, সোমবার সকালে আমরা একসঙ্গে তিনজন বাড়িতে আসার জন্য স্পিডবোটে উঠি। এ সময় স্পিডবোটচালক অনেক গাদাগাদি করে লোকজন বোঝাই করে দ্রুতগতিতে চালানোর ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন