চেতনানাশকে ইমামসহ ৬ জন অচেতন
jugantor
চেতনানাশকে ইমামসহ ৬ জন অচেতন

  মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

০৪ মে ২০২১, ২৩:০৪:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

অচেতন ইমাম হাফেজ মো. রাজু

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া চেতনানাশক স্প্রে দেয়ায় মসজিদের ইমাম ও একই পরিবারের ৫ জন অচেতন হয়েছেন। তবে কোনো চুরি-ডাকাতি সংঘটিত হয়নি।

সোমবার গভীর রাতে উপজেলার ধানিসাফা ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি গ্রামের এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অসুস্থদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা প্রথমে স্থানীয় রায়হানিয়া মাদ্রাসার কক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় ইমাম হাফেজ মো. রাজুর (৩৫) ওপর চেতনানাশক স্প্রে করে। পরে সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদারের ঘরে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে। এতে সেলিম হাওলাদার (৬০), তার স্ত্রী আকলিমা (৫৫), পুত্র রুবেল (৩৫), পুত্রবধূ পপি (৩০) ও নাতি মাশরাফি (১৫) অচেতন হয়ে পড়ে।

সেহরি খাওয়ার সময় লোক ডাকাডাকিতে ঘটনাটি স্থানীয়রা বুঝতে পারেন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর অসুস্থদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহতের নাতি মাশরাফি জানায়, আমার নানু বাড়িতে গত বছর ডাকাতি হয়েছিল। আমার ধারণা ওই চক্রটি আবারো ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল।

মঠবড়িয়া থানার ওসি মাসুদুজ্জামান বলেন, এ ধরনের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চেতনানাশকে ইমামসহ ৬ জন অচেতন

 মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
০৪ মে ২০২১, ১১:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
অচেতন ইমাম হাফেজ মো. রাজু
অচেতন ইমাম হাফেজ মো. রাজু

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তের দেয়া চেতনানাশক স্প্রে দেয়ায় মসজিদের ইমাম ও একই পরিবারের ৫ জন অচেতন হয়েছেন। তবে কোনো চুরি-ডাকাতি সংঘটিত হয়নি।

সোমবার গভীর রাতে উপজেলার ধানিসাফা ইউনিয়নের ফুলঝুড়ি গ্রামের  এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা অসুস্থদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা প্রথমে স্থানীয় রায়হানিয়া মাদ্রাসার কক্ষে ঘুমন্ত অবস্থায় ইমাম হাফেজ মো. রাজুর (৩৫) ওপর চেতনানাশক স্প্রে করে। পরে সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম হাওলাদারের ঘরে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে। এতে সেলিম হাওলাদার (৬০), তার স্ত্রী আকলিমা (৫৫), পুত্র রুবেল (৩৫), পুত্রবধূ পপি (৩০) ও নাতি মাশরাফি (১৫) অচেতন হয়ে পড়ে।

সেহরি খাওয়ার সময় লোক ডাকাডাকিতে ঘটনাটি স্থানীয়রা বুঝতে পারেন। পরে স্থানীয়রা গুরুতর অসুস্থদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহতের নাতি মাশরাফি জানায়, আমার নানু বাড়িতে গত বছর ডাকাতি হয়েছিল। আমার ধারণা ওই চক্রটি আবারো ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল।

মঠবড়িয়া থানার ওসি মাসুদুজ্জামান বলেন, এ ধরনের কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন