পুলিশের স্ত্রীর মাথা ফাটাল চোরেরা
jugantor
পুলিশের স্ত্রীর মাথা ফাটাল চোরেরা

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২১, ২১:৪৭:২৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিনের মাথা ফাটাল স্থানীয় চোরেরা। এ সময় আহত ফরিদা ইয়াছমিনকে উদ্ধার করে স্বজনরা মদন হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নে পাচহার বড়বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, ইফতার করার পর শরীরে ক্লান্তি আসায় আমি আমার নিজে ঘরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত সাড়ে ৮টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার পাচহার গ্রামের ইছাক ও আঙ্গুর আমার ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যাওয়ার সময় আমি একা তাদের পিছু ধাওয়া করি। পরে তারা আমাকে বেধড়ক মারপিট করে ও আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে মদন হাসপাতালে ভর্তি করেন। আমার স্বামী চাকরি করার সুবাদে অন্যত্র অবস্থান করায় জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একই গ্রামের ইছাক, মোখলেছের সঙ্গে আহত ফরিদা ইয়াছমিনের মা জরিনার তর্কবিতর্ক হয়। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি জানি না।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম জানান, এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে হাসপাতালে পুলিশ পাঠাচ্ছি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশের স্ত্রীর মাথা ফাটাল চোরেরা

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২১, ০৯:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ফরিদা ইয়াছমিনের মাথা ফাটাল স্থানীয় চোরেরা। এ সময় আহত ফরিদা ইয়াছমিনকে উদ্ধার করে স্বজনরা মদন হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নে পাচহার বড়বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। 

আহত ফরিদা ইয়াছমিন বলেন, ইফতার করার পর শরীরে ক্লান্তি আসায় আমি আমার নিজে ঘরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত সাড়ে ৮টার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার পাচহার গ্রামের ইছাক ও আঙ্গুর আমার ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যাওয়ার সময় আমি একা তাদের পিছু ধাওয়া করি। পরে তারা আমাকে বেধড়ক মারপিট করে ও আমার মাথা ফাটিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, এলাকাবাসী আমাকে উদ্ধার করে মদন হাসপাতালে ভর্তি করেন। আমার স্বামী চাকরি করার সুবাদে অন্যত্র অবস্থান করায় জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আঙ্গুর মিয়ার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, একই গ্রামের ইছাক, মোখলেছের সঙ্গে আহত ফরিদা ইয়াছমিনের মা জরিনার তর্কবিতর্ক হয়। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি জানি না।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম জানান, এ ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে হাসপাতালে পুলিশ পাঠাচ্ছি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন