ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার সাজানো অভিযোগ, নারী শ্রীঘরে
jugantor
ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার সাজানো অভিযোগ, নারী শ্রীঘরে

  ভোলা প্রতিনিধি  

০৫ মে ২০২১, ২২:৩৯:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার সাজানো অভিযোগ করে শ্রীঘরে গেলেন দুই দালালসহ এক নারী।

বুধবার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সাংবাদিকদের জানান, রাজাপুর শ্যামপুর এলাকায় মারপিটের একটি ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইসমাইলকে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটক করে। আটক ইসমাইলকে ছাড়ানোর জন্য ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আনিসুর রহমান তিন হাজার টাকা চেয়েছেন। ওই টাকা দেয়ার পরও আটক ব্যক্তিকে ছাড়েননি- এমন অভিযোগ নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসেন ইসমাইলের স্ত্রী পপি আক্তার শাহীনাসহ দুই দালাল মনির হোসেন ও ইসমাইল হোসেন।

পপি পুলিশ সুপারকে জানান- তার স্বামীকে ছাড়াতে টাকা লাগবে বলায় তিনি তার মোবাইল ফোনটি বিক্রির জন্য দালাল মনির ও ইসমাইল হোসেনকে দেন। এছাড়া নিজের কাছে থাকা দুই হাজার টাকাও দেন। ফাঁড়ির ইনচার্জ টাকা নেয়ার পর আরও টাকা দাবি করে আটককৃতকে ছাড়েননি।

মোবাইল ফোন কোথায় বিক্রি করেছেন, কে কিনেছেন- এমন নানা প্রশ্নে বিষয়টি সাজানো বলে মনে হয় পুলিশ সুপারের। পরে তল্লাশিতে ফোনটি ওই নারীর কাছেই পাওয়া যায়। এ ঘটনায় দালালসহ ওই নারীকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ওই নারীও তার স্বামীর সঙ্গে একই মামলার আসামি।

ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, তারা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে আটকের পর আদালতে সোপর্দ করেছেন। আসামি ছাড়ার বিষয়ে কারও সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি। এরা একটি চক্র বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার সাজানো অভিযোগ, নারী শ্রীঘরে

 ভোলা প্রতিনিধি 
০৫ মে ২০২১, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলায় ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ নেয়ার সাজানো অভিযোগ করে শ্রীঘরে গেলেন দুই দালালসহ এক নারী।

বুধবার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সাংবাদিকদের জানান, রাজাপুর শ্যামপুর এলাকায় মারপিটের একটি ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামি মো. ইসমাইলকে ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ আটক করে। আটক ইসমাইলকে ছাড়ানোর জন্য ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আনিসুর রহমান তিন হাজার টাকা চেয়েছেন। ওই টাকা দেয়ার পরও আটক ব্যক্তিকে ছাড়েননি- এমন অভিযোগ নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসেন ইসমাইলের স্ত্রী পপি আক্তার শাহীনাসহ দুই  দালাল মনির হোসেন ও ইসমাইল হোসেন।

পপি পুলিশ সুপারকে জানান- তার স্বামীকে ছাড়াতে টাকা লাগবে বলায় তিনি তার মোবাইল ফোনটি বিক্রির জন্য দালাল মনির ও ইসমাইল হোসেনকে দেন। এছাড়া নিজের কাছে থাকা দুই হাজার টাকাও দেন। ফাঁড়ির ইনচার্জ টাকা নেয়ার পর আরও টাকা দাবি করে আটককৃতকে ছাড়েননি।

মোবাইল ফোন কোথায় বিক্রি করেছেন, কে কিনেছেন- এমন নানা প্রশ্নে বিষয়টি সাজানো বলে মনে হয় পুলিশ সুপারের। পরে তল্লাশিতে ফোনটি ওই নারীর কাছেই পাওয়া যায়। এ ঘটনায় দালালসহ ওই নারীকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ওই নারীও তার স্বামীর সঙ্গে একই মামলার আসামি।

ইলিশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, তারা মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামিকে আটকের পর আদালতে সোপর্দ করেছেন। আসামি ছাড়ার বিষয়ে কারও সঙ্গে তার কোনো কথা হয়নি। এরা একটি চক্র বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন