ভৈরব সেতুর স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন
jugantor
ভৈরব সেতুর স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

  খুলনা ব্যুরো  

০৬ মে ২০২১, ১১:৪৭:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ভৈরব সেতুর স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

খুলনার দীঘলিয়ার ভৈরব সেতু রেলিগেট এলাকায় না করে অন্য জায়গায় স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।

নগরীর রেলিগেটে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের বাড়ির সামনে বুধবার সকালে মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুজিবুর রহমান।

এ সময় বক্তারা ভৈরব সেতুর জায়গা স্থানান্তর করলে কমপক্ষে সরকারের শতকোটি টাকা ব্যয় কমে যাওয়া, দৌলতপুর-মুহসিন মোড় এলাকার দুই শতাধিক ব্যবসায়ীর জীবিকা সচল থাকাসহ নানাবিধ শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষা হবে বলে জানান। এ ছাড়া সেতু নির্মাণের বিকল্প হিসেবে তিনটি জায়গার সুপারিশ তিনি করেন।

এ গুলোর মধ্যে শিরোমনি-বাদামতলা এলাকার চারলেন বিশিষ্ট রাস্তা দিয়ে ভৈরব সেতু নির্মাণকাজ শুরু করলে জমি অধিগ্রহণ ও রাস্তার খরচ কমে যাবে। প্রায় শতকোটি টাকা রক্ষা হবে সরকারের। দ্বিতীয়ত হলো ফুলবাড়ি গেটের মীরেরডাঙ্গা রাস্তা দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করলেও অধিগ্রহণের খরচ কমে যাবে।

তৃতীয়ত খালিশপুরের ক্রিসেন্ট জুট মিলের মধ্যে সরকারের অনেক জমি আছে। সেখান থেকে ভৈরব সেতু নির্মাণ করলে জমি অধিগ্রহণসহ দৌলতপুর ও মুহসিন মোড় এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম পিয়াস, চৈতন্য কুমার সরকার, এম এম আব্দুল্লাহ, এস এম বকবুল হোসেন মুকুল, জগদীশ সাহা, টিপু সুলতান, শেখ হারুন অর রশীদ প্রমুখ।

ভৈরব সেতুর স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

 খুলনা ব্যুরো 
০৬ মে ২০২১, ১১:৪৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভৈরব সেতুর স্থান পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: যুগান্তর

খুলনার দীঘলিয়ার ভৈরব সেতু রেলিগেট এলাকায় না করে অন্য জায়গায় স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।

নগরীর রেলিগেটে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের বাড়ির সামনে বুধবার সকালে মানববন্ধন করেন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুজিবুর রহমান।

এ সময় বক্তারা ভৈরব সেতুর জায়গা স্থানান্তর করলে কমপক্ষে সরকারের শতকোটি টাকা ব্যয় কমে যাওয়া, দৌলতপুর-মুহসিন মোড় এলাকার দুই শতাধিক ব্যবসায়ীর জীবিকা সচল থাকাসহ নানাবিধ শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রক্ষা হবে বলে জানান। এ ছাড়া সেতু নির্মাণের বিকল্প হিসেবে তিনটি জায়গার সুপারিশ তিনি করেন।

এ গুলোর মধ্যে শিরোমনি-বাদামতলা এলাকার চারলেন বিশিষ্ট রাস্তা দিয়ে ভৈরব সেতু নির্মাণকাজ শুরু করলে জমি অধিগ্রহণ ও রাস্তার খরচ কমে যাবে। প্রায় শতকোটি টাকা রক্ষা হবে সরকারের। দ্বিতীয়ত হলো ফুলবাড়ি গেটের মীরেরডাঙ্গা রাস্তা দিয়ে সেতুটি নির্মাণ করলেও অধিগ্রহণের খরচ কমে যাবে।

তৃতীয়ত খালিশপুরের ক্রিসেন্ট জুট মিলের মধ্যে সরকারের অনেক জমি আছে। সেখান থেকে ভৈরব সেতু নির্মাণ করলে জমি অধিগ্রহণসহ দৌলতপুর ও মুহসিন মোড় এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম পিয়াস, চৈতন্য কুমার সরকার, এম এম আব্দুল্লাহ, এস এম বকবুল হোসেন মুকুল, জগদীশ সাহা, টিপু সুলতান, শেখ হারুন অর রশীদ প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন