হেফাজতের তাণ্ডব: খেলাফত মজলিসের সভাপতিসহ গ্রেফতার ১০
jugantor
হেফাজতের তাণ্ডব: খেলাফত মজলিসের সভাপতিসহ গ্রেফতার ১০

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

০৬ মে ২০২১, ১৯:১৯:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নতুন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সরাইল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. আবু তাহেরসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ নিয়ে এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃতের সংখ্যা ৪৩৪ জনে দাঁড়াল। তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের করার ৫৬টি মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তাদের বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের অরুয়াইল পুলিশ ক্যাম্পে গত ২৭ মার্চ তাদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র, কোচ, টেটা, বল্লম, ইট-পাটকের নিয়ে হামলা করে পুলিশ সদস্যদের হত্যা করার লক্ষ্যে অস্ত্র, গুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

পুলিশ আরও জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতরা হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থক বলে পুলিশের দাবি।

উল্লেখ্য, হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় সর্বমোট ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ সর্বমোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৪৩৪ জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইস উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় মাদ্রাসাছাত্র ও হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেস ক্লাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় নিহত হন ১২ জন।

হেফাজতের তাণ্ডব: খেলাফত মজলিসের সভাপতিসহ গ্রেফতার ১০

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
০৬ মে ২০২১, ০৭:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নতুন করে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সরাইল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. আবু তাহেরসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ নিয়ে এই ঘটনায় গ্রেফতারকৃতের সংখ্যা ৪৩৪ জনে দাঁড়াল। তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের করার ৫৬টি মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তাদের বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। 

পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের অরুয়াইল পুলিশ ক্যাম্পে গত ২৭ মার্চ তাদের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র, কোচ, টেটা, বল্লম, ইট-পাটকের নিয়ে হামলা করে পুলিশ সদস্যদের হত্যা করার লক্ষ্যে অস্ত্র, গুলি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

পুলিশ আরও জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। গ্রেফতারকৃতরা হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থক বলে পুলিশের দাবি।

উল্লেখ্য, হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় সর্বমোট ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ সর্বমোট ৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় ৪৩৪ জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার মানুষকে আসামি করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইস উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামে মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার খবরে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায় মাদ্রাসাছাত্র ও হেফাজতে ইসলামের কর্মীরা।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়, প্রেস ক্লাব, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয় ও ডাকবাংলো, খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা ভবন, আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন ও শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরসহ ৩৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় নিহত হন ১২ জন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন