বাঘায় খাস জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ
jugantor
বাঘায় খাস জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

  বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি     

০৭ মে ২০২১, ১৫:২৪:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

দখল

রাজশাহীর বাঘায় খাস জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার খানপুর এলাকায় পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন আলমঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি। আলমঙ্গীর লালপুর উপজেলার নওশারা সুলতানপুরের আবের আলীর ছেলে।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খানপুর গ্রামের মেম্বর রাসেল হোসেন বলেন, খানপুর পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার খাস জমির ওপর ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না। গড়গড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আলমঙ্গীর হোসেন বহুল আলোচিত পদ্মার চরাঞ্চলের ক্রসফায়ারে নিহত পান্না বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তার নামে বাঘা, কুষ্টিয়া এবং লালপুর থানায় ৯টি মামলা রয়েছে।

গড়গড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, সরকারি জমি দখল করে ঘর নির্মাণের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি।

আলমঙ্গীর হোসেন বলেন, ১৯৬২ সালের রেকর্ড অনুযায়ী স্থানীয় সাদের আলীর কাছে থেকে ক্রয় করা জমি। এই জমির ওপর ঘর নির্মাণ করছি। আইনিভাবে জমি না পেলে ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেব। তবে এক সময় আমার নামে মামলা ছিল। বর্তমানে নেই। ওস্তাদ ক্রসফায়ারে মারা যাবার পর ভালো হয়ে গেছি।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, আলমঙ্গীর হোসেন ১৯৬২ সাল অনুযায়ী যে জমিটি ক্রয় করার দাবি করছেন, সেটি ৭৪ সালের রেকর্ডে এসে সরকারি খাস ক্ষতিয়ান ভুক্ত হয়েছে। তাকে ইতোমধ্যে ঘর উঠাতে বারণ করা হয়েছে। তারপরও ঘর তোলার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাঘায় খাস জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

 বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি    
০৭ মে ২০২১, ০৩:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দখল
ছবি-যুগান্তর

রাজশাহীর বাঘায় খাস জমি দখল করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার খানপুর এলাকায় পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন আলমঙ্গীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি। আলমঙ্গীর লালপুর উপজেলার নওশারা সুলতানপুরের আবের আলীর ছেলে।

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খানপুর গ্রামের মেম্বর রাসেল হোসেন বলেন, খানপুর পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকার খাস জমির ওপর ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না। গড়গড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আলমঙ্গীর হোসেন বহুল আলোচিত পদ্মার চরাঞ্চলের ক্রসফায়ারে নিহত পান্না বাহিনীর সদস্য ছিলেন। তার নামে বাঘা, কুষ্টিয়া এবং লালপুর থানায় ৯টি মামলা রয়েছে।

গড়গড়ি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম বলেন, সরকারি জমি দখল করে ঘর নির্মাণের বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। 

আলমঙ্গীর হোসেন বলেন, ১৯৬২ সালের রেকর্ড অনুযায়ী স্থানীয় সাদের আলীর কাছে থেকে ক্রয় করা জমি। এই জমির ওপর ঘর নির্মাণ করছি। আইনিভাবে জমি না পেলে ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেব। তবে এক সময় আমার নামে মামলা ছিল। বর্তমানে নেই। ওস্তাদ ক্রসফায়ারে মারা যাবার পর ভালো হয়ে গেছি। 

এ বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা বলেন, আলমঙ্গীর হোসেন ১৯৬২ সাল অনুযায়ী যে জমিটি ক্রয় করার দাবি করছেন, সেটি ৭৪ সালের রেকর্ডে এসে সরকারি খাস ক্ষতিয়ান ভুক্ত হয়েছে। তাকে ইতোমধ্যে ঘর উঠাতে বারণ করা হয়েছে। তারপরও ঘর তোলার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন