লোকসানে সৈয়দপুরের ৫০০ ঝুট ব্যবসায়ী
jugantor
লোকসানে সৈয়দপুরের ৫০০ ঝুট ব্যবসায়ী

  সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

০৯ মে ২০২১, ১৪:২১:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

লোকসানে সৈয়দপুরের ৫০০ ঝুট ব্যবসায়ী

নীলফামারীর সৈয়দপুরে তৈরি হয় বড় বড় গার্মেন্টসের ফেলা দেওয়া ঝুট-কাপড় দিয়ে রকমারি পণ্য, যা দেশীয় বাজার ছাড়াও বিদেশে রপ্তানি হয়। কিন্তু গত এক বছর ধরে করোনার কারণে এই শিল্পে চলছে চরম দুরবস্থা।

করোনা স্থবির করে দিয়েছে এই শিল্পের প্রাণচাঞ্চল্য। অর্ধেকেরও বেশি কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েছেন।

শ্রমিকরা বলছেন, করোনার কারণে বেচাকেনা একেবারেই বন্ধ। ঈদ যত সামনে আসছে, ততই চিন্তায় পড়ছেন তারা।

গার্মেন্টস মালিকরা বলছেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঈদের বাজারে বেচাকেনা নেই। এতে চরম ক্ষতির মুখে তারা।

তারা বলেন, বাইরের জেলা থেকে পাইকাররা আসতে পারছেন না। এতে বেচাকেনা একেবারেই কমে গেছে। এবার বর্তমান পরিস্থিতিতে লাভ করা তো দূরের কথা, অনেকেই বিনিয়োগের পুঁজি ফেরত পাবেন না। তাদের দাবি, সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে, এই শিল্পটি ধ্বংস হয়ে যাবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়েছে ব্যবসায়ী গ্রুপ।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন আক্তার বলেন, ৮-১০ হাজার শ্রমিককে চালাতে পারছি না আমরা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে সৈয়দপুরের এই ঝুট-কাপড়ের ব্যবসা মুখ থুবড়ে পড়বে। সৈয়দপুরে প্রায় ৫০০ গার্মেন্টস কারখানায় ৮ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন।

লোকসানে সৈয়দপুরের ৫০০ ঝুট ব্যবসায়ী

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
০৯ মে ২০২১, ০২:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লোকসানে সৈয়দপুরের ৫০০ ঝুট ব্যবসায়ী
ছবি: যুগান্তর

নীলফামারীর সৈয়দপুরে তৈরি হয় বড় বড় গার্মেন্টসের ফেলা দেওয়া ঝুট-কাপড় দিয়ে রকমারি পণ্য, যা দেশীয় বাজার ছাড়াও বিদেশে রপ্তানি হয়। কিন্তু গত এক বছর ধরে করোনার কারণে এই শিল্পে চলছে চরম দুরবস্থা।

করোনা স্থবির করে দিয়েছে এই শিল্পের প্রাণচাঞ্চল্য। অর্ধেকেরও বেশি কারখানা বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়েছেন।

শ্রমিকরা বলছেন, করোনার কারণে বেচাকেনা একেবারেই বন্ধ।  ঈদ যত সামনে আসছে, ততই চিন্তায় পড়ছেন তারা।

গার্মেন্টস মালিকরা বলছেন, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঈদের বাজারে বেচাকেনা নেই। এতে চরম ক্ষতির মুখে তারা।

তারা বলেন, বাইরের জেলা থেকে পাইকাররা আসতে পারছেন না। এতে বেচাকেনা একেবারেই কমে গেছে। এবার বর্তমান পরিস্থিতিতে লাভ করা তো দূরের কথা, অনেকেই বিনিয়োগের পুঁজি ফেরত পাবেন না। তাদের দাবি, সরকারিভাবে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে, এই শিল্পটি ধ্বংস হয়ে যাবে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এই শিল্পকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চেয়েছে ব্যবসায়ী গ্রুপ।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের ক্ষুদ্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ী গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন আক্তার বলেন, ৮-১০ হাজার শ্রমিককে চালাতে পারছি না আমরা। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তা না হলে সৈয়দপুরের এই ঝুট-কাপড়ের ব্যবসা মুখ থুবড়ে পড়বে। সৈয়দপুরে প্রায় ৫০০ গার্মেন্টস কারখানায় ৮ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক কাজ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন