প্রেমের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে গুলি
jugantor
প্রেমের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে গুলি

  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৯ মে ২০২১, ১৭:২৬:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেমের প্রতিপক্ষ এক তরুণকে শায়েস্তা করতে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর আহত করেছে অপর যুবক মো. তৌফিকুর রহমান সীমান্ত। শনিবার রাতে সে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে নূর মোহাম্মদকে (১৬) গুলি করে।

আর এতে গুরুতর আহত হয় এহিয়া। তার অবস্থা আশংকাজনক। তাকে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা জয়রা এলাকায় মাসুদুর রহমানের ছেলে তৌফিকুর রহমান সীমান্ত ছবি আঁকা, ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু সৃষ্টিশীল কাজ করে। সে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি মেয়ে পছন্দ করে। কিন্তু ওই মেয়ের সঙ্গে এহিয়া হোসেন মির্জা ওরফে নূর মোহাম্মদের (১৬) সম্পর্ক হয়।

তিনি জানান, এতে সীমান্ত এহিয়াকে শায়েস্তা করতে পরিকল্পনা আটে। পরে ইউটিউব ঘেটে সবচেয়ে স্বল্প খরচে কম পরিশ্রমে কিভাবে পিস্তল বানানো যায় তা রপ্ত করে শখের বশেই বানিয়ে ফেলে বারুদ আর সীসার বুলেটের পিস্তল। ওই পিস্তল নিয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এলজিইডি অফিসের পাশে এহিয়ার বাসার সামনে এসে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে এহিয়াকে গুলি করে। ওই গুলি এহিয়ার গলায় গেলে আহত হয়। তাকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা নবগ্রাম থেকে সীমান্তকে তার নানা বাড়ি থেকে রাত ৩টায় তার তৈরি পিস্তলসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর সীমান্ত পুলিশের কাছে তার অপরাধ শিকার করেছেন।

এই ঘটনায় আহত এহিয়ার মা নূরজাহান বাদী হয়ে ও অস্ত্র আইনে এসআই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করছেন। রোববার দুপুরে সীমান্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

প্রেমের প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে গুলি

 মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৯ মে ২০২১, ০৫:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেমের প্রতিপক্ষ এক তরুণকে শায়েস্তা করতে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর আহত করেছে অপর যুবক মো. তৌফিকুর রহমান সীমান্ত। শনিবার রাতে সে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে নূর মোহাম্মদকে (১৬) গুলি করে।

আর এতে গুরুতর আহত হয় এহিয়া। তার অবস্থা আশংকাজনক। তাকে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা জয়রা এলাকায় মাসুদুর রহমানের ছেলে তৌফিকুর রহমান সীমান্ত ছবি আঁকা, ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু সৃষ্টিশীল কাজ করে। সে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি মেয়ে পছন্দ করে। কিন্তু ওই মেয়ের সঙ্গে এহিয়া হোসেন মির্জা ওরফে নূর মোহাম্মদের (১৬) সম্পর্ক হয়।

তিনি জানান, এতে সীমান্ত এহিয়াকে শায়েস্তা করতে পরিকল্পনা আটে। পরে ইউটিউব ঘেটে সবচেয়ে স্বল্প খরচে কম পরিশ্রমে কিভাবে পিস্তল বানানো যায় তা রপ্ত করে শখের বশেই বানিয়ে ফেলে বারুদ আর সীসার বুলেটের পিস্তল। ওই পিস্তল নিয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এলজিইডি অফিসের পাশে এহিয়ার বাসার সামনে এসে নিজের তৈরি পিস্তল দিয়ে এহিয়াকে গুলি করে। ওই গুলি এহিয়ার গলায় গেলে আহত হয়। তাকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা নবগ্রাম থেকে সীমান্তকে তার নানা বাড়ি থেকে রাত ৩টায় তার তৈরি পিস্তলসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর সীমান্ত পুলিশের কাছে তার অপরাধ শিকার করেছেন।

এই ঘটনায় আহত এহিয়ার মা নূরজাহান বাদী হয়ে ও অস্ত্র আইনে এসআই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করছেন। রোববার দুপুরে সীমান্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন