ইউটিউব দেখে পিস্তল বানাল মানিকগঞ্জের তরুণ, অতঃপর...
jugantor
ইউটিউব দেখে পিস্তল বানাল মানিকগঞ্জের তরুণ, অতঃপর...

  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি  

০৯ মে ২০২১, ১৭:৩৭:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

মো. তৌফিকুর রহমান সীমান্ত। সদ্য কৈশোর পেরিয়ে আসা প্রতিভাবান তরুণ। ছবি আঁকা, ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু সৃষ্টিশীল কাজের মধ্যে ডুবে থাকা এই তরুণের মনে হঠাৎ কৌতূহল হল পিস্তল বানাবে!

ইউটিউব ঘেটে সবচেয়ে কম খরচে কম পরিশ্রমে কিভাবে পিস্তল বানানো যায় তা রপ্ত করে শখের বশেই বানিয়ে ফেলে বারুদ আর সীসার বুলেটের পিস্তল! সে বুঝতে পারেনি এই ভয়ংকর কৌতূহল তার জীবনে কত বড় বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসবে।

তার ভাষ্যে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মেয়ের সঙ্গে তার গভীর প্রেম। তার সেই প্রেমের মাঝে নূর মোহাম্মদ যেন বড় বাঁধা! নিতান্ত সন্দেহের বশে এহিয়া হোসেন মির্জা ওরফে নূর মোহাম্মদকে (১৬) ভয় দেখানো কিংবা আহত করার উদ্দেশ্যে সীমান্ত তারাবীর নামাজের পর আসে মানিকগঞ্জ শহরের এলজিইডির পাশে এহিয়ার বাসার সামনে। নিজের তৈরি পিস্তল কোমর থেকে বের করে এহিয়াকে গুলি করে। আর এতে আহত হয় এহিয়া। অবস্থা আশঙ্কাজনক তাকে নেয়া হয় সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা জয়রা এলাকায় মাসুদুর রহমানের ছেলে তৌফিকুর রহমান সীমান্ত ছবি আঁকা, ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু সৃষ্টিশীল কাজ করেন। সে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি মেয়ে পছন্দ করে। কিন্তু ওই মেয়ের সঙ্গে এহিয়া হোসেন মির্জা ওরফে নূর মোহাম্মদের (১৬) সম্পর্ক হয়।

এতে সীমান্ত এহিয়াকে শায়েস্তা করতে পরিকল্পনা আটে। পরে ইউটিউব ঘেটে সবচেয়ে স্বল্প খরচে কম পরিশ্রমে কিভাবে পিস্তল বানানো যায় তা রপ্ত করে শখের বশেই বানিয়ে ফেলে বারুদ আর সীসার বুলেটের পিস্তল। ওই পিস্তল নিয়ে এহিয়াকে গুলি করে। ওই গুলি এহিয়ার গলায় গেলে আহত হয়। তাকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা নবগ্রাম থেকে সীমান্তকে তার নানা বাড়ি থেকে রাত ৩টায় তার তৈরি পিস্তলসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর সীমান্ত পুলিশের কাছে তার অপরাধ শিকার করেছেন।

এই ঘটনায় আহত এহিয়ার মা নূরজাহান বাদী হয়ে ও অস্ত্র আইনে এসআই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করছেন। রোববার দুপুরে সীমান্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ইউটিউব দেখে পিস্তল বানাল মানিকগঞ্জের তরুণ, অতঃপর...

 মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 
০৯ মে ২০২১, ০৫:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মো. তৌফিকুর রহমান সীমান্ত। সদ্য কৈশোর পেরিয়ে আসা প্রতিভাবান তরুণ। ছবি আঁকা, ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু সৃষ্টিশীল কাজের মধ্যে ডুবে থাকা এই তরুণের মনে হঠাৎ কৌতূহল হল পিস্তল বানাবে!

ইউটিউব ঘেটে সবচেয়ে কম খরচে কম পরিশ্রমে কিভাবে পিস্তল বানানো যায় তা রপ্ত করে শখের বশেই বানিয়ে ফেলে বারুদ আর সীসার বুলেটের পিস্তল! সে বুঝতে পারেনি এই ভয়ংকর কৌতূহল তার জীবনে কত বড় বিপর্যয় ডেকে নিয়ে আসবে।

তার ভাষ্যে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক মেয়ের সঙ্গে তার গভীর প্রেম। তার সেই প্রেমের মাঝে নূর মোহাম্মদ যেন বড় বাঁধা! নিতান্ত সন্দেহের বশে এহিয়া হোসেন মির্জা ওরফে নূর মোহাম্মদকে (১৬) ভয় দেখানো কিংবা আহত করার উদ্দেশ্যে সীমান্ত তারাবীর নামাজের পর আসে মানিকগঞ্জ শহরের এলজিইডির পাশে এহিয়ার বাসার সামনে। নিজের তৈরি পিস্তল কোমর থেকে বের করে এহিয়াকে গুলি করে। আর এতে আহত হয় এহিয়া। অবস্থা আশঙ্কাজনক তাকে নেয়া হয় সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

মানিকগঞ্জ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা জানান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা জয়রা এলাকায় মাসুদুর রহমানের ছেলে তৌফিকুর রহমান সীমান্ত ছবি আঁকা, ইনটেরিয়র ডিজাইনসহ বহু সৃষ্টিশীল কাজ করেন। সে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া একটি মেয়ে পছন্দ করে। কিন্তু ওই মেয়ের সঙ্গে এহিয়া হোসেন মির্জা ওরফে নূর মোহাম্মদের (১৬) সম্পর্ক হয়।

এতে সীমান্ত এহিয়াকে শায়েস্তা করতে পরিকল্পনা আটে। পরে ইউটিউব ঘেটে সবচেয়ে স্বল্প খরচে কম পরিশ্রমে কিভাবে পিস্তল বানানো যায় তা রপ্ত করে শখের বশেই বানিয়ে ফেলে বারুদ আর সীসার বুলেটের পিস্তল। ওই পিস্তল নিয়ে এহিয়াকে গুলি করে। ওই গুলি এহিয়ার গলায় গেলে আহত হয়। তাকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভার একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলা নবগ্রাম থেকে সীমান্তকে তার নানা বাড়ি থেকে রাত ৩টায় তার তৈরি পিস্তলসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার হওয়ার পর সীমান্ত পুলিশের কাছে তার অপরাধ শিকার করেছেন।

এই ঘটনায় আহত এহিয়ার মা নূরজাহান বাদী হয়ে ও অস্ত্র আইনে এসআই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করছেন। রোববার দুপুরে সীমান্তকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন