পরকীয়ার জেরে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বরখাস্ত, ঘর ভাঙল প্রেমিকার
jugantor
পরকীয়ার জেরে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বরখাস্ত, ঘর ভাঙল প্রেমিকার

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৯ মে ২০২১, ২২:০৫:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

পরকীয়া করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে আটক ঢাকার ধামরাইয়ের মুন্সিচর পল্লীবিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের সেই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

রোববার সকালে ওই কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সেই সঙ্গে স্বামীর ঘর ভেঙেছে পরকীয়া প্রেমিকা আফসানা আক্তারের। তাকে স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে এ অপকর্মের জন্য। এ পরকীয়া প্রেমের ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ধামরাইয়ের কুশুরা জোনাল অফিসের আওতাধীন চৌহাট ইউনিয়নের মুন্সিচর অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ গ্রেড ওয়ান অফিসার মো. জসীম উদ্দিন উক্ত গ্রামের এসআই মো. আনিসুর রহমান আনিসের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। এরই সুবাদে প্রতিবেশী মো. রুবেল হোসেনের স্ত্রী আফসানা আক্তারের সঙ্গে তার দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে।

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিনগত রাতে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন রুবেলের স্ত্রী আফসানা আক্তারের ঘরে গিয়ে তার সঙ্গে দৈহিক মেলামেশায় লিপ্ত হয়। এ সময় ওই গৃহবধূর স্বামী রুবেল হোসেন বাড়িতে ছিলেন না।

তিনি মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করছিলেন। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই প্রেমিক যুগলকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে এবং যুগলবন্দি করে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলে। এরপর রাতভর ও শনিবার দিনভর থেমে থেমে চলে তাদের ওপর উত্তম-মধ্যম দেয়ার পালা। পরে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. ফারুক হোসেনের হস্তক্ষেপে তারা শনিবার বিকালে মুক্তি পায়।

মুক্তির পর ওই বিদ্যুৎ কর্মকর্তা আত্মগোপন করে। এরপর তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পেরে রোববার সকালে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত ওই বিদ্যুৎ কর্মকর্তা অফিসের কোনো কাজ করতে পারবে না বলে জানা যায়। অপরদিকে ওই গৃহবধূকে স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। সে বর্তমানে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় তার পিত্রালয়ে অবস্থান করছে।

রুবেল হোসেন জানান, এমন দুশ্চরিত্রবান স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করা যায় না। তাই তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছি। সে তার বাবার বাড়িতে চলে গেছে। আর কোনো দিনই আমি তাকে ঘরে তুলব না। আমি ওই বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জসীমেরও দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও কঠোর শাস্তি চাই।

কুশুরা পল্লীবিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আব্দুল বারি বলেন, ঘটনাটি খুবই ন্যক্কারজনক। তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি অধিক গুরুত্বসহকারে দেখছেন। তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশই বহাল থাকবে।

পরকীয়ার জেরে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা বরখাস্ত, ঘর ভাঙল প্রেমিকার

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৯ মে ২০২১, ১০:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পরকীয়া করতে গিয়ে আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে আটক ঢাকার ধামরাইয়ের মুন্সিচর পল্লীবিদ্যুৎ অভিযোগ কেন্দ্রের সেই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। 

রোববার সকালে ওই কর্মকর্তার বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সেই সঙ্গে স্বামীর ঘর ভেঙেছে পরকীয়া প্রেমিকা আফসানা আক্তারের। তাকে স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত হতে হয়েছে এ অপকর্মের জন্য। এ পরকীয়া প্রেমের ঘটনা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢাকা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির ধামরাইয়ের কুশুরা জোনাল অফিসের আওতাধীন চৌহাট ইউনিয়নের মুন্সিচর অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ গ্রেড ওয়ান অফিসার মো. জসীম উদ্দিন উক্ত গ্রামের এসআই মো. আনিসুর রহমান আনিসের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছেন। এরই সুবাদে প্রতিবেশী মো. রুবেল হোসেনের স্ত্রী আফসানা আক্তারের সঙ্গে তার দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। 

এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার দিনগত রাতে বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন রুবেলের স্ত্রী আফসানা আক্তারের ঘরে গিয়ে তার সঙ্গে দৈহিক মেলামেশায় লিপ্ত হয়। এ সময় ওই গৃহবধূর স্বামী রুবেল হোসেন বাড়িতে ছিলেন না। 

তিনি মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করছিলেন। প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই প্রেমিক যুগলকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে এবং যুগলবন্দি করে ঘরের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলে। এরপর রাতভর ও শনিবার দিনভর থেমে থেমে চলে তাদের ওপর উত্তম-মধ্যম দেয়ার পালা। পরে স্থানীয় ইউপি মেম্বার মো. ফারুক হোসেনের হস্তক্ষেপে তারা শনিবার বিকালে মুক্তি পায়।

মুক্তির পর ওই বিদ্যুৎ কর্মকর্তা আত্মগোপন করে। এরপর তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি জানতে পেরে রোববার সকালে তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। পরবর্তী আদেশ না হওয়া পর্যন্ত ওই বিদ্যুৎ কর্মকর্তা অফিসের কোনো কাজ করতে পারবে না বলে জানা যায়। অপরদিকে ওই গৃহবধূকে স্বামীর ঘর থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। সে বর্তমানে গাজীপুরের কালিয়াকৈর এলাকায় তার পিত্রালয়ে অবস্থান করছে।

রুবেল হোসেন জানান, এমন দুশ্চরিত্রবান স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করা যায় না। তাই তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছি। সে তার বাবার বাড়িতে চলে গেছে। আর কোনো দিনই আমি তাকে ঘরে তুলব না। আমি ওই বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জসীমেরও দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও কঠোর শাস্তি চাই।

কুশুরা পল্লীবিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আব্দুল বারি বলেন, ঘটনাটি খুবই ন্যক্কারজনক। তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি অধিক গুরুত্বসহকারে দেখছেন। তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশই বহাল থাকবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন