ছাত্রলীগ নেতাকে সেই মেয়রের হত্যার হুমকির অডিও ফাঁস (ভিডিও)
jugantor
ছাত্রলীগ নেতাকে সেই মেয়রের হত্যার হুমকির অডিও ফাঁস (ভিডিও)

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১১ মে ২০২১, ২৩:৩০:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল মদের আসর বসান। সেই আড্ডার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান মুকুলকে হত্যার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সেই হুমকির কথোপকথনও (অডিও রেকর্ড) ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জানান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজ নিজের ফেসবুকে বিভিন্ন সময়ে মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়লের মদ্যপানের ছবি আপলোড করে আসছে। এসব ছবিকে মেয়র পক্ষের লোকজন `সুপার’ এডিট দাবি করতো।

তবে সোমবার মেয়র রফিকুল ইসলামের একটি মদের আসরের ভিডিও ফেসবুকে ফাঁস হয়। বিষয়টি নিয়ে হাবিবুর রহমান মুকুলকে সন্দেহ করেন মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল। ওইদিন দুপুরে মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল ফোন করে ওই ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান খান মুকুলকে হত্যার হুমকি দেন।

মেয়র রফিকুল ইসলামের হুমকি দেওয়া মোবাইল কলে কথোপকথনের রেকর্ড হুবুহ তুলে ধরা হলো:

মেয়র : মুকুল!

মুকুল : জি ভাই, আসসালামল্লাইকুম, কেমন আছেন?

মেয়র : ভিডিওগুলো কিভাবে যাচ্ছে এক সপ্তাহের মধ্যে আমাকে রিপোর্ট করতে হবে, না করলে তো অসুবিধা হবে

মুকুল : ভিডিওগুলো!

মেয়র : কোথা থেকে যাচ্ছে কিভাবে যাচ্ছে ওটা আমাকে রিপোর্ট করা লাগবে এক সপ্তাহের ভিতরে। তা না হলে আজকের তারিখ থেকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হলো, এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট করা লাগবে!

মুকুল : কি করে বুঝব কে দিচ্ছে

মেয়র : আমি যা বলেছি, এইটুক বলেছি এর বেশি আর বলবো না। এর বেশি বললে সে বলা হলো সারা জীবনে পৃথিবীর আলো দেখা বন্ধ হয়ে যাবে!

মুকুল : কারা দিচ্ছে আমি কি করে বলবো?

মেয়র : তা জানিনে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হলো তোমার

মুকুল : আমারে! মানে আমি বুঝলাম না ভাই!

এদিকে মেয়র রফিকুলের মদের আসরের ভিডিও আপলোডকারী সন্দেহে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছে, সোমবার রাতে মেয়র রফিকুলের সন্ত্রাসী বাহিনী তার বাড়িতে পরপর পাঁচটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে।

কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান মুকুল সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আমার প্রাণের সংগঠন। আওয়ামী পরিবার ও আওয়ামী নেতার সন্তান হিসেবে স্কুলজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করি। কেশবপুরের মানুষের কাছে তথ্য নিলে দল জানতে পারবে আমি কোন প্রকৃতির। কিন্তু এই ভিডিও সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না তবুও মেয়র আমাকে হত্যার হুমকি দিল, এতে আমার পরিবার শঙ্কিত। আমি এ ব্যাপারে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করব এবং আইনগত পদক্ষেপ নিব।

এ প্রসঙ্গে জানতে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যা জানার মুকুলের কাছে জানেন। ও যা বলে তাই লেখেন।

ছাত্রলীগ নেতাকে সেই মেয়রের হত্যার হুমকির অডিও ফাঁস (ভিডিও)

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১১ মে ২০২১, ১১:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল মদের আসর বসান। সেই আড্ডার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান মুকুলকে হত্যার হুমকির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সেই হুমকির কথোপকথনও (অডিও রেকর্ড) ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জানান, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজ নিজের ফেসবুকে বিভিন্ন সময়ে মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়লের মদ্যপানের ছবি আপলোড করে আসছে। এসব ছবিকে মেয়র পক্ষের লোকজন `সুপার’ এডিট দাবি করতো।

তবে সোমবার মেয়র রফিকুল ইসলামের একটি মদের আসরের ভিডিও ফেসবুকে ফাঁস হয়। বিষয়টি নিয়ে হাবিবুর রহমান মুকুলকে সন্দেহ করেন মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল। ওইদিন দুপুরে মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল ফোন করে ওই ছাত্রলীগ নেতা হাবিবুর রহমান খান মুকুলকে হত্যার হুমকি দেন।

মেয়র রফিকুল ইসলামের হুমকি দেওয়া মোবাইল কলে কথোপকথনের রেকর্ড হুবুহ তুলে ধরা হলো:
 
মেয়র : মুকুল!

মুকুল : জি ভাই, আসসালামল্লাইকুম, কেমন আছেন?

মেয়র : ভিডিওগুলো কিভাবে যাচ্ছে এক সপ্তাহের মধ্যে আমাকে রিপোর্ট করতে হবে, না করলে তো অসুবিধা হবে

মুকুল : ভিডিওগুলো!

মেয়র : কোথা থেকে যাচ্ছে কিভাবে যাচ্ছে ওটা আমাকে রিপোর্ট করা লাগবে এক সপ্তাহের ভিতরে। তা না হলে আজকের তারিখ থেকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হলো, এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট করা লাগবে!

মুকুল : কি করে বুঝব কে দিচ্ছে

মেয়র : আমি যা বলেছি, এইটুক বলেছি এর বেশি আর বলবো না। এর বেশি বললে সে বলা হলো সারা জীবনে পৃথিবীর আলো দেখা বন্ধ হয়ে যাবে!

মুকুল : কারা দিচ্ছে আমি কি করে বলবো?

মেয়র : তা জানিনে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হলো তোমার

মুকুল : আমারে! মানে আমি বুঝলাম না ভাই!

এদিকে মেয়র রফিকুলের মদের আসরের ভিডিও আপলোডকারী সন্দেহে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার আব্দুল আজিজ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছে, সোমবার রাতে মেয়র রফিকুলের সন্ত্রাসী বাহিনী তার বাড়িতে পরপর পাঁচটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে।

কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান মুকুল সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আমার প্রাণের সংগঠন। আওয়ামী পরিবার ও আওয়ামী নেতার সন্তান হিসেবে স্কুলজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করি। কেশবপুরের মানুষের কাছে তথ্য নিলে দল জানতে পারবে আমি কোন প্রকৃতির। কিন্তু এই ভিডিও সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না তবুও মেয়র আমাকে হত্যার হুমকি দিল, এতে আমার পরিবার শঙ্কিত। আমি এ ব্যাপারে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে অবহিত করব এবং আইনগত পদক্ষেপ নিব।

এ প্রসঙ্গে জানতে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে  একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যা জানার মুকুলের কাছে জানেন। ও যা বলে তাই লেখেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন