মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতিকালে দালালসহ ১৮ রোহিঙ্গা আটক
jugantor
মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতিকালে দালালসহ ১৮ রোহিঙ্গা আটক

  টেকনাফে (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১১ মে ২০২১, ২৩:৪২:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে ১৮ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার এবং দুই নারী দালালকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ১৮ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ৩ জন শিশু, ১০ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ। এসব রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালংসহ বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা।

আটক দালালরা হলেন- টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া জালিয়াঘাটা এলাকার মোহাম্মদ রফিকের স্ত্রী রশিদা বেগম (৩০) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ মুসার স্ত্রী রাজিয়া বেগম (২০)।

টেকনাফ থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার ভোরে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গাকে জড়ো করা হয়েছে- এমন খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন একটি বাড়িতে জড়ো করা অবস্থায় ১৮ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও দুই দালালকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ১০ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ। তারা উখিয়ার কুতুপালংসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

ওসি বলেন, সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে ১৮ জন রোহিঙ্গাসহ আটক দুই দালালকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উদ্ধার রোহিঙ্গাদের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের মাধ্যমে উখিয়ার ট্রানজিট ক্যাম্পে প্রেরণ করা হয়েছে। আটক দালালদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানান হাফিজুর রহমান।

মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতিকালে দালালসহ ১৮ রোহিঙ্গা আটক

 টেকনাফে (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১১ মে ২০২১, ১১:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে ১৮ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার এবং দুই নারী দালালকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ১৮ জন রোহিঙ্গার মধ্যে ৩ জন শিশু, ১০ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ। এসব রোহিঙ্গা উখিয়ার কুতুপালংসহ বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা।

আটক  দালালরা হলেন- টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া জালিয়াঘাটা এলাকার মোহাম্মদ রফিকের স্ত্রী রশিদা বেগম (৩০) এবং একই এলাকার মোহাম্মদ মুসার স্ত্রী রাজিয়া বেগম (২০)।

টেকনাফ থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার ভোরে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গাকে জড়ো করা হয়েছে- এমন খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এতে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন একটি বাড়িতে জড়ো করা অবস্থায় ১৮ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও দুই দালালকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ১০ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ। তারা উখিয়ার কুতুপালংসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।

ওসি বলেন, সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারকালে ১৮ জন রোহিঙ্গাসহ আটক দুই দালালকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। উদ্ধার রোহিঙ্গাদের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের মাধ্যমে উখিয়ার ট্রানজিট ক্যাম্পে প্রেরণ করা হয়েছে। আটক দালালদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করা হয়েছে বলে জানান হাফিজুর রহমান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন