স্বামী-সন্তান রেখে অন্যকে বিয়ের ৪ মাস পর লাশ হলেন গৃহবধূ
jugantor
স্বামী-সন্তান রেখে অন্যকে বিয়ের ৪ মাস পর লাশ হলেন গৃহবধূ

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

১২ মে ২০২১, ১৩:০০:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

লাশ

মাদারীপুরের রাজৈরে স্বামী-সন্তান রেখে অন্যের সঙ্গেপালিয়ে গিয়ে বিয়ের ৪ মাস পার জননী বিথি বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার টেকেরহাট সংলগ্ন পূর্ব সরমঙ্গল গ্রামের বাঘা বাড়ি এ ঘটনা ঘটে । পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রাজৈর উপজেলার পূর্ব সরমঙ্গল গ্রামের বাবুল কাজীর মেয়ে জননী বিথি গত চার মাস আগে তার পূর্বে স্বামী রাসেল শেখ ও ৪ বছরের ছেলে রিয়ানকে রেখে পালিয়ে গিয়ে একই গ্রামের রফেজ বাঘার ছেলে ফুলচান বাঘার (২৪) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

এর কিছুদিন পরে বিথি জানতে পারেন তার স্বামী ফুলচান নেশা করে। এ নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কলহ সৃষ্টি হয় । এরপর মঙ্গলবার তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূ বিথির মা বানেচা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের জামাই ফুলচান নেশা করতো। নেশা এবং আমার নাতি রিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওরা আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমি এর বিচার চাই ।

তবে নিহত বিথির শ্বশুর রফেজ বাঘার দাবি, মঙ্গলবার রাতে আমার ছেলে তার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে বাসস্ট্যান্ডে যায় । পরে আমার ছেলের বউ বিথি আমার ছেলেকে বারবার ফোন দিয়ে না পেয়ে রাগে ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছে ।

রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদিক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।

স্বামী-সন্তান রেখে অন্যকে বিয়ের ৪ মাস পর লাশ হলেন গৃহবধূ

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
১২ মে ২০২১, ০১:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাশ
ছেলের সঙ্গে নিহত গৃহবধূ

মাদারীপুরের রাজৈরে স্বামী-সন্তান রেখে অন্যের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ের ৪ মাস পার জননী বিথি বেগম (২২) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার টেকেরহাট সংলগ্ন পূর্ব সরমঙ্গল গ্রামের বাঘা বাড়ি এ ঘটনা ঘটে । পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে ।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রাজৈর উপজেলার পূর্ব সরমঙ্গল গ্রামের বাবুল কাজীর মেয়ে জননী বিথি গত চার মাস আগে তার পূর্বে স্বামী রাসেল শেখ ও ৪ বছরের ছেলে রিয়ানকে রেখে পালিয়ে গিয়ে একই গ্রামের রফেজ বাঘার ছেলে ফুলচান বাঘার (২৪) সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। 

এর কিছুদিন পরে বিথি জানতে পারেন তার স্বামী ফুলচান নেশা করে। এ নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে কলহ সৃষ্টি হয় । এরপর মঙ্গলবার তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত গৃহবধূ বিথির মা বানেচা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ের জামাই ফুলচান নেশা করতো। নেশা এবং আমার নাতি রিয়ানের সঙ্গে দেখা করতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ওরা আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। আমি এর বিচার চাই । 

তবে নিহত বিথির শ্বশুর রফেজ বাঘার দাবি, মঙ্গলবার রাতে আমার ছেলে তার এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে বাসস্ট্যান্ডে যায় । পরে আমার ছেলের বউ বিথি আমার ছেলেকে বারবার ফোন দিয়ে না পেয়ে রাগে ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছে ।

রাজৈর থানার ওসি শেখ সাদিক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে।  

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন