বাঁচানো গেল না সেই ছাত্রলীগ নেতাকে
jugantor
বাঁচানো গেল না সেই ছাত্রলীগ নেতাকে

  কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

১৩ মে ২০২১, ২১:৪৪:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে হামলায় ছাত্রলীগ নেতা সোহান হোসেন (২৫) গুরুতর জখম হন। ঘটনার ৫ দিন পর বুধবার রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

রাত ১টায় তার মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে জনগণের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। রাতে এলাকার শত শত নারী পুরুষ বিক্ষোভ করেন। কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বোরহান উদ্দিন পুলিশ নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন।

সকালে এলাকাবাসী কাউন্সিলার এবাদাত সিদ্দিকী বিপুলকে হত্যার জন্য দায়ী করে তার ফাঁসির দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নিহত ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়।

গত ৭ মে বালিয়াডাঙ্গা সাইক্লোন শেল্টারে ভিজিএফের সহায়তা প্রদানের সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ওয়ার্ড কাউন্সিলার এবাদাত সিদ্দিকী বিপুলের নেতৃত্বে একাধিক মামলার আসামি মো. মেহেদী হাসানসহ (২৮) ১০-১১ জন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী ও তার ভাইয়ের ছেলে (ভাইপো) সোহান হোসেনসহ ৬ জনকে হাতুড়ি, রড, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে হামলা করে গুরুতর আহত করে। বুধবার রাতে তিনি মারা যান।

নিহত সোহান হোসেনের লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। শতশত নারী পুরুষ ও নিহতের পরিবার আহাজারি করতে থাকে। বিকালে নিহতের জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে সোহান হোসেনের লাশ দাফন করা হয়।

এ ঘটনার পর থেকে কাউন্সিলার এবাদাত হোসেন বিপুলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদী হাসান পালিয়ে ছিলেন। গত রাতে মেহেদি হাসানকে যশোরের বাঘারপাড়া থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান ও এলাকাবাসী জানায়, এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ কেশবপুর থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য ‘কাউন্সিলার এবাদাত হোসেন বিপুল সন্ত্রাসীদের গডফাদার’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি নেসারুল হক খোকনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বাঁচানো গেল না সেই ছাত্রলীগ নেতাকে

 কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
১৩ মে ২০২১, ০৯:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের কেশবপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নেতৃত্বে হামলায় ছাত্রলীগ নেতা সোহান হোসেন (২৫) গুরুতর জখম হন। ঘটনার ৫ দিন পর বুধবার রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

রাত ১টায় তার মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে জনগণের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। রাতে এলাকার শত শত  নারী পুরুষ বিক্ষোভ করেন। কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বোরহান উদ্দিন পুলিশ নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন।

সকালে এলাকাবাসী কাউন্সিলার এবাদাত সিদ্দিকী বিপুলকে হত্যার জন্য দায়ী করে তার ফাঁসির দাবিতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নিহত ছাত্রলীগ নেতার বাড়ির সামনে অবস্থান নেয়।

গত ৭ মে বালিয়াডাঙ্গা সাইক্লোন শেল্টারে ভিজিএফের সহায়তা প্রদানের সময় অনিয়মের প্রতিবাদ করায় ওয়ার্ড কাউন্সিলার এবাদাত সিদ্দিকী বিপুলের নেতৃত্বে একাধিক মামলার আসামি মো. মেহেদী হাসানসহ (২৮) ১০-১১ জন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী ও তার ভাইয়ের ছেলে (ভাইপো) সোহান হোসেনসহ ৬ জনকে হাতুড়ি, রড, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে হামলা করে গুরুতর আহত করে। বুধবার রাতে তিনি মারা যান।

নিহত সোহান হোসেনের লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার বিকালে কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। শতশত নারী পুরুষ ও নিহতের পরিবার আহাজারি করতে থাকে। বিকালে নিহতের জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে সোহান হোসেনের লাশ দাফন করা হয়।

এ ঘটনার পর থেকে কাউন্সিলার এবাদাত হোসেন বিপুলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদী হাসান পালিয়ে ছিলেন। গত রাতে মেহেদি হাসানকে যশোরের বাঘারপাড়া থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান ও এলাকাবাসী জানায়, এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ কেশবপুর থানায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য ‘কাউন্সিলার এবাদাত হোসেন বিপুল সন্ত্রাসীদের গডফাদার’ শিরোনামে দৈনিক যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি নেসারুল হক খোকনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন