এখনও বাড়ি ফেরা যাত্রীদের চাপ
jugantor
এখনও বাড়ি ফেরা যাত্রীদের চাপ

  শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

১৫ মে ২০২১, ১৫:১০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাত্রাপথে দুটি ফেরিতে প্রচণ্ড গরমে হুড়োহুড়িতে ৫ জন নিহত হওয়ার পর ফেরি সার্ভিস গতিশীল হয়েছে। ঈদের পরদিনও শিমুলিয়া থেকে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ বেশি। চাপ সামাল দিতে এদিনও খালি ফেরি বাংলাবাজার থেকে পাঠানো হচ্ছে। এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সাঙ্গে ঢাকামুখী যাত্রী চাপ বাড়ছে।

উভয় মুখী যাত্রী চাপ বাড়ায় ফেরি কম যানবাহন নিয়ে পার হচ্ছে। এদিনও প্রচণ্ড গরমে অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পদ্মা পাড়ের উভয় ঘাটেই যাত্রী বেড়েছে। তবে ঈদে কর্মস্থলমুখী যাত্রীর চেয়ে এখনো বাড়ি ফেরা যাত্রীর পরিমাণ অনেক বেশি।

এ ব্যাপারে যাত্রীরা সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের আগে ব্যাপক যানজট ও অতিরিক্ত গরমে আকস্মিক মানুষ মারা যাওয়া দেখে অনেকে ঈদের পরেই বাড়ি আসতে চেয়েছেন। তাই এখন দেখা যায় ঈদের পরও যাত্রী চাপ একই রকম।

বাংলাবাজার ঘাট পর্যন্ত এসে নদী পার হয়েও যাত্রীরা কয়েকগুণ ভাড়া গুনে দুই চাকার মোটরসাইকেল, ৩ চাকার ইজিবাইক থ্রি হুইলার, ট্রাক, পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহনে চরম ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছচ্ছেন।

বরিশাল থেকে আসা যাত্রী জাহানারা বেগম জানান, অনেক কষ্ট করে এসেছি। যদি পথে পরিবহন ও নদীতে লঞ্চ চলতো তাহলে এতে কষ্ট হতো না। অনেক টাকা খরচ করে ঘাটে এসে পৌঁছেছি।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শাজাহান জানান, ঈদের আগেই বাড়ি আসার কথা ছিল। কিন্তু ঈদের আগে ব্যাপক যানজট ও গরমের কারণে মানুষ মারা যাওয়া দেখে ঈদের পরেই আসতে চেয়েছি। এখন দেখা যায় ঈদের পর যাত্রী চাপ একই রকম।

বাংলাবাজার ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি সহকারী ম্যানেজার ভজন কুমার সাহা এখনও কর্মস্থলমুখী যাত্রীর চেয়ে ঘরে ফেরা যাত্রীর চাপই বেশি তাই উভয় ঘাট সামাল দিতে দ্রুত বাংলাবাজার ঘাট থেকে পরিবহন ও যাত্রী বোঝাই করে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছাড়া হচ্ছে।

এখনও বাড়ি ফেরা যাত্রীদের চাপ

 শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  
১৫ মে ২০২১, ০৩:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাত্রাপথে দুটি ফেরিতে প্রচণ্ড গরমে হুড়োহুড়িতে ৫ জন নিহত হওয়ার পর ফেরি সার্ভিস গতিশীল হয়েছে। ঈদের পরদিনও শিমুলিয়া থেকে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ বেশি। চাপ সামাল দিতে এদিনও খালি ফেরি বাংলাবাজার থেকে পাঠানো হচ্ছে। এদিকে বেলা বাড়ার সঙ্গে সাঙ্গে ঢাকামুখী যাত্রী চাপ বাড়ছে। 

উভয় মুখী যাত্রী চাপ বাড়ায় ফেরি কম যানবাহন নিয়ে পার হচ্ছে। এদিনও প্রচণ্ড গরমে অনেক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পদ্মা পাড়ের উভয় ঘাটেই যাত্রী বেড়েছে। তবে ঈদে কর্মস্থলমুখী যাত্রীর চেয়ে এখনো বাড়ি ফেরা যাত্রীর পরিমাণ অনেক বেশি। 

এ ব্যাপারে যাত্রীরা সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের আগে ব্যাপক যানজট ও অতিরিক্ত গরমে আকস্মিক মানুষ মারা যাওয়া দেখে অনেকে ঈদের পরেই বাড়ি আসতে চেয়েছেন। তাই এখন দেখা যায় ঈদের পরও যাত্রী চাপ একই রকম।  

বাংলাবাজার ঘাট পর্যন্ত এসে নদী পার হয়েও যাত্রীরা কয়েকগুণ ভাড়া গুনে দুই চাকার মোটরসাইকেল, ৩ চাকার ইজিবাইক থ্রি হুইলার, ট্রাক, পিকআপসহ বিভিন্ন যানবাহনে চরম ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছচ্ছেন। 

বরিশাল থেকে আসা যাত্রী জাহানারা বেগম জানান, অনেক কষ্ট করে এসেছি। যদি পথে পরিবহন ও নদীতে লঞ্চ চলতো তাহলে এতে কষ্ট হতো না। অনেক টাকা খরচ করে ঘাটে এসে পৌঁছেছি। 

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী শাজাহান জানান, ঈদের আগেই বাড়ি আসার কথা ছিল। কিন্তু ঈদের আগে ব্যাপক যানজট ও গরমের কারণে মানুষ মারা যাওয়া দেখে ঈদের পরেই আসতে চেয়েছি। এখন দেখা যায় ঈদের পর যাত্রী চাপ একই রকম।

বাংলাবাজার ঘাটের বিআইডব্লিউটিসি সহকারী ম্যানেজার ভজন কুমার সাহা এখনও কর্মস্থলমুখী যাত্রীর চেয়ে ঘরে ফেরা যাত্রীর চাপই বেশি তাই উভয় ঘাট সামাল দিতে দ্রুত বাংলাবাজার ঘাট থেকে পরিবহন ও যাত্রী বোঝাই করে শিমুলিয়ার উদ্দেশে ছাড়া হচ্ছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন