ঈদের দিন ডায়রিয়ায় শিশু মৃত্যু
jugantor
ঈদের দিন ডায়রিয়ায় শিশু মৃত্যু

  বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

১৫ মে ২০২১, ১৬:৫৩:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত তিন মাসের শিশু আয়মানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চিকিৎসকদের অবহেলায় ঈদের দিন শুক্রবার বিকাল ৫টায় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। অবশ্য অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের দিন শুক্রবার উপজেলার কনকদিয়া গ্রামের রিপন মিয়ার শিশু সন্তান আয়মন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। কালক্ষেপণ না করে দুপুরের দিকেই স্বজনরা শিশুটিকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আউটডোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য পাঠান।

শিশুটির বাবা রিপন মিয়া বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ঈদের দিন থাকায় ইনডোরে কোনো চিকিৎসক আমার সন্তানকে দেখতে আসেননি।

জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক অমিত কুমার দেবনাথ বলেন, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুটির ভর্তির ব্যাপারে আমাকে অবহিত করা হয়নি। আমি ভর্তির বিষয়ে কিছুই জানি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা সাংবাদিকদের জানান, স্যালাইন পুশ করার জন্য ডায়রিয়ার আক্রান্ত শিশুকে ক্যানুলা পড়ানোর চেষ্টা করে ভেইন খুঁজে না পাওয়ায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, চিকিৎসায় কোনো প্রকার অবহেলা ছিল না।

ঈদের দিন ডায়রিয়ায় শিশু মৃত্যু

 বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
১৫ মে ২০২১, ০৪:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত তিন মাসের শিশু আয়মানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চিকিৎসকদের অবহেলায় ঈদের দিন শুক্রবার বিকাল ৫টায় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। অবশ্য অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদের দিন শুক্রবার উপজেলার কনকদিয়া গ্রামের রিপন মিয়ার শিশু সন্তান আয়মন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়। কালক্ষেপণ না করে দুপুরের দিকেই স্বজনরা শিশুটিকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। আউটডোরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তির জন্য পাঠান। 

শিশুটির বাবা রিপন মিয়া বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পরে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ঈদের দিন থাকায় ইনডোরে কোনো চিকিৎসক আমার সন্তানকে দেখতে আসেননি।

জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক অমিত কুমার দেবনাথ বলেন, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুটির ভর্তির ব্যাপারে আমাকে অবহিত করা হয়নি। আমি ভর্তির বিষয়ে কিছুই জানি না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রশান্ত কুমার সাহা সাংবাদিকদের জানান, স্যালাইন পুশ করার জন্য ডায়রিয়ার আক্রান্ত শিশুকে ক্যানুলা পড়ানোর চেষ্টা করে ভেইন খুঁজে না পাওয়ায় তার মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, চিকিৎসায় কোনো প্রকার অবহেলা ছিল না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন