বাঘের থাবায় একই স্থানে বাবার পর প্রাণ গেল ছেলের
jugantor
বাঘের থাবায় একই স্থানে বাবার পর প্রাণ গেল ছেলের

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

১৫ মে ২০২১, ১৭:১১:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌয়াল বাবা ইসলাম সরদারকে বাঘে খাওয়ার ৭ বছরের মাথায় এবার একই স্থানে মানুষখেকোর থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন ছেলে রেজাউল ইসলাম (৩৫)। শুক্রবার ঈদের দিন সন্ধ্যার কিছু আগে এ ঘটনা ঘটে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের দক্ষিণ তালপট্টি এলাকায়।

নিহত রেজাউল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা গ্রামের মৃত ইসলাম সরদারের ছেলে।

বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এমএ হাসান বাঘের থাবায় রেজাউলের নিহত হবার ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, গত সপ্তাহে তিনি ও তার সঙ্গীরা বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে পাস নিয়ে সুন্দরবনে মৌচাক ভাংতে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ তালপট্টি এলাকায় মধু সংগ্রহ শেষে তিনি যখন নৌকায় উঠছিলেন ঠিক তখনই একটি মানুষখেকো বাঘ দ্রুতবেগে ছুটে এসে হামলা করে তার ঘাড়ের টুটি চেপে ধরে।

মুহূর্তের মধ্যে তার আতংকিত সঙ্গীরা তাকে রক্ষার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বাঘটি রেজাউলকে টেনে হেঁচড়ে জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে তার দেহে কামড় বসানো শুরু করলে সঙ্গীরা বাঘটিকে তাড়া করে পরে বাঘটি রেজাউলের লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

সহকারী বন সংরক্ষক আরও জানান, রেজাউলের লাশ নিয়ে শুক্রবার রাতেই সঙ্গীরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। শনিবার দুপুরে তার লাশ পৌছায় চকবারা গ্রামে। এসময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে।

নিহত রেজাউলের স্ত্রী মুর্শিদা খাতুন জানান, ২০১৪ সালে তার শ্বশুর ইসলাম সরদারকে একই স্থানে বাঘ হামলা করে। এতে তিনি প্রাণ হারান।

উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সুন্দরবনে বাঘের থাবায় ৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

বাঘের থাবায় একই স্থানে বাবার পর প্রাণ গেল ছেলের

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
১৫ মে ২০২১, ০৫:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৌয়াল বাবা ইসলাম সরদারকে বাঘে খাওয়ার ৭ বছরের মাথায় এবার একই স্থানে মানুষখেকোর থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন ছেলে রেজাউল ইসলাম (৩৫)। শুক্রবার ঈদের দিন সন্ধ্যার কিছু আগে এ ঘটনা ঘটে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের দক্ষিণ তালপট্টি এলাকায়।

নিহত রেজাউল ইসলাম শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা গ্রামের মৃত ইসলাম সরদারের ছেলে।

বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক এমএ হাসান বাঘের থাবায় রেজাউলের নিহত হবার ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, গত সপ্তাহে তিনি ও তার সঙ্গীরা বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে পাস নিয়ে সুন্দরবনে মৌচাক ভাংতে যায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ তালপট্টি এলাকায় মধু সংগ্রহ শেষে তিনি যখন নৌকায় উঠছিলেন ঠিক তখনই একটি মানুষখেকো বাঘ দ্রুতবেগে ছুটে এসে হামলা করে তার ঘাড়ের টুটি চেপে ধরে।

মুহূর্তের মধ্যে তার আতংকিত সঙ্গীরা তাকে রক্ষার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বাঘটি রেজাউলকে টেনে হেঁচড়ে জঙ্গলের মধ্যে নিয়ে যায়। সেখানে তার দেহে কামড় বসানো শুরু করলে সঙ্গীরা বাঘটিকে তাড়া করে পরে বাঘটি রেজাউলের লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

সহকারী বন সংরক্ষক আরও জানান, রেজাউলের লাশ নিয়ে শুক্রবার রাতেই সঙ্গীরা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়। শনিবার দুপুরে তার লাশ পৌছায় চকবারা গ্রামে। এসময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা ঘটে।

নিহত রেজাউলের স্ত্রী মুর্শিদা খাতুন জানান, ২০১৪ সালে তার শ্বশুর ইসলাম সরদারকে একই স্থানে বাঘ হামলা করে। এতে তিনি প্রাণ হারান।

উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সুন্দরবনে বাঘের থাবায় ৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন