ঈদে নানার বাড়িতে গিয়ে শোকে ভাসাল দুই বোন
jugantor
ঈদে নানার বাড়িতে গিয়ে শোকে ভাসাল দুই বোন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

১৫ মে ২০২১, ১৯:৫৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের বড়কান্দি গ্রামে ঈদের আনন্দ করতে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে বাবা-মা পরিবার, স্বজনসহ সবাইকে চোখের পানিতে ভাসাল দুই বোন। শনিবার দুপুরে পুকুরে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত দুই বোনের নাম মরিয়ম ও সুমাইয়া। তারা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার মজুমপুর ইউনিয়নের মুসারচরের মো. ইসলাম মিয়ার মেয়ে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের বড়কান্দি লাতালি সরকার বাড়ির সহিদ মিয়ার মেয়ের ঘরের নাতিন। ১৩ বছর বয়সের মরিয়ম সপ্তম শ্রেণির এবং ১০ বছরের সুমাইয়া আক্তার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

জানা যায়, শনিবার দুপুর ১টার দিকে নানা বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি পুকুরে গোসল করতে নিজেরাই যায় মেয়ে দুটি। পুকুরে অন্তত ১১ হাত পানি ছিল। সাতার জানতো না তারা। তাই ডুবে যায়। একটু দূরে ৩-৪ জন নারী থাকলেও কোনো রকম টের পায়নি। যখন তাদের কোনো আওয়াজ পাওয়া যায়নি তখন শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। পরে গ্রাম থেকে লোকজন গিয়ে জাল ফেলে ও ডুব দিয়ে খোজ করা হয়। ১৫ মিনিট পর একজনের লাশ পাওয়া যায়। ৪০ মিনিট পর পাওয়া যায় আরেকজনের।

জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে স্ত্রী ও তিন কন্যা লিলি আক্তার, মরিয়ম ও সুমাইয়াকে নিয়ে সকালে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান ইসলাম মিয়া। কর্মব্যস্ত মানুষ ইসলাম মিয়া কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। দুই মেয়েকে হারিয়ে তিনি পাগলপ্রায়।

তাদের মামা সফিক মিয়া বলেন, প্রতিবছরের মতো এই ঈদেও তারা বেড়াতে এসেছে। অতি আদরের ভাগ্নি দুটিকে এইভাবে হারাতে হবে তা কোনদিন জানা ছিল না। অনাকাঙ্ক্ষিত এমন ঘটনায় আশেপাশের গ্রাম থেকে অসংখ্য মানুষের ঢল নামে। বাড়িজুড়ে চলছে শোকের মাতম। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বড়কান্দি থেকে লাশ দুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের নিজ বাড়ি সোনারগাঁওয়ে।

ঈদে নানার বাড়িতে গিয়ে শোকে ভাসাল দুই বোন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
১৫ মে ২০২১, ০৭:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের বড়কান্দি গ্রামে ঈদের আনন্দ করতে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে বাবা-মা পরিবার, স্বজনসহ সবাইকে চোখের পানিতে ভাসাল দুই বোন। শনিবার দুপুরে পুকুরে ডুবে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত দুই বোনের নাম মরিয়ম ও সুমাইয়া। তারা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার মজুমপুর ইউনিয়নের মুসারচরের মো. ইসলাম মিয়ার মেয়ে। বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাহাড়িয়াকান্দি ইউনিয়নের বড়কান্দি লাতালি সরকার বাড়ির সহিদ মিয়ার মেয়ের ঘরের নাতিন। ১৩ বছর বয়সের মরিয়ম সপ্তম শ্রেণির এবং ১০ বছরের সুমাইয়া আক্তার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

জানা যায়, শনিবার দুপুর ১টার দিকে নানা বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে একটি পুকুরে গোসল করতে নিজেরাই যায় মেয়ে দুটি। পুকুরে অন্তত ১১ হাত পানি ছিল। সাতার জানতো না তারা। তাই ডুবে যায়। একটু দূরে ৩-৪ জন নারী থাকলেও কোনো রকম টের পায়নি। যখন তাদের কোনো আওয়াজ পাওয়া যায়নি তখন শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। পরে গ্রাম থেকে লোকজন গিয়ে জাল ফেলে ও ডুব দিয়ে খোজ করা হয়। ১৫ মিনিট পর একজনের লাশ পাওয়া যায়। ৪০ মিনিট পর পাওয়া যায় আরেকজনের। 

জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে স্ত্রী ও তিন কন্যা লিলি আক্তার, মরিয়ম ও সুমাইয়াকে নিয়ে সকালে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান ইসলাম মিয়া। কর্মব্যস্ত মানুষ ইসলাম মিয়া কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। দুই মেয়েকে হারিয়ে তিনি পাগলপ্রায়।

তাদের মামা সফিক মিয়া বলেন, প্রতিবছরের মতো এই ঈদেও তারা বেড়াতে এসেছে। অতি আদরের ভাগ্নি দুটিকে এইভাবে হারাতে হবে তা কোনদিন জানা ছিল না। অনাকাঙ্ক্ষিত এমন ঘটনায় আশেপাশের গ্রাম থেকে অসংখ্য মানুষের ঢল নামে। বাড়িজুড়ে চলছে শোকের মাতম। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বড়কান্দি থেকে লাশ দুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের নিজ বাড়ি সোনারগাঁওয়ে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন