যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল যুবলীগ নেতা
jugantor
যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল যুবলীগ নেতা

  কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

১৫ মে ২০২১, ২০:৫৯:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলেরকালিহাতী উপজেলার গোলড়া গ্রামে শুকুর (২৯) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা শরীফের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বড় ভাই আবদুল্লাহকে (৪০) আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।

ঈদের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় শুকুরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিহত শুকুর মাহমুদ ও আহত আবদুল্লাহ গোলড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনি মিয়ার ছেলে।

শরিফ কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।

শুকুরের স্ত্রীর মিতু ও তার বড় বোন সমলা বেগম জানান, দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় যুবলীগ নেতা শরীফের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে ঈদের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় শুকুর ও আব্দুল্লাহ মিলে বাড়ির পাশের ধানক্ষেত দেখতে গিয়েছিল। পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা স্থানীয় যুবলীগ নেতা শরীফের নেতৃত্বে ওবায়দুল, হারুন, রাজ্জাক, মনির, ইসরাফিল, খোকনসহ একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের কোপাতে থাকে। তাদের ডাক চিৎকারে এগিয়ে গিয়ে দেখি শুকুরের এক হাত মাটিতে পড়ে আছে। মাথার মগজ বের হয়ে গেছে। আবদুল্লাহর পায়ের রগ কেটে ফেলেছে।

তিনি জানান, সেখান থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় দুই ভাইকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর শুকুরকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত আবদুল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

শনিবার বিকালে কালিহাতী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নিহত শুকুর মাহমুদের বড় ভাই বাহদুর।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাড়ে ৬টা পর্যন্ত কালিহাতী থানায় মামলা হয়নি। তবে কালিহাতী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাহেদুল ইসলাম জানান মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যুবককে কুপিয়ে হত্যা করল যুবলীগ নেতা

 কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
১৫ মে ২০২১, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোলড়া গ্রামে শুকুর (২৯) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতা শরীফের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বড় ভাই আবদুল্লাহকে (৪০)  আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।

ঈদের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বাড়ির পাশে ধানক্ষেতে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় শুকুরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

নিহত শুকুর মাহমুদ ও আহত আবদুল্লাহ গোলড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনি মিয়ার ছেলে। 

শরিফ কালিহাতী উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক।

শুকুরের স্ত্রীর মিতু ও তার বড় বোন সমলা বেগম জানান, দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় যুবলীগ নেতা শরীফের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে ঈদের দিন শুক্রবার সন্ধ্যায় শুকুর ও আব্দুল্লাহ মিলে বাড়ির পাশের ধানক্ষেত দেখতে গিয়েছিল। পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা স্থানীয় যুবলীগ নেতা শরীফের নেতৃত্বে ওবায়দুল, হারুন, রাজ্জাক, মনির, ইসরাফিল, খোকনসহ একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের কোপাতে থাকে। তাদের ডাক চিৎকারে এগিয়ে গিয়ে দেখি শুকুরের এক হাত মাটিতে পড়ে আছে। মাথার মগজ বের হয়ে গেছে। আবদুল্লাহর পায়ের রগ কেটে ফেলেছে।

তিনি জানান, সেখান থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় দুই ভাইকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর শুকুরকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত আবদুল্লাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে।

শনিবার বিকালে কালিহাতী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে নিহত শুকুর মাহমুদের বড় ভাই বাহদুর।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার ওসি সওগাতুল আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সাড়ে ৬টা পর্যন্ত কালিহাতী থানায় মামলা হয়নি। তবে কালিহাতী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাহেদুল ইসলাম জানান মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন