নামাজ পড়ে সাইকেল জিতল তারা
jugantor
নামাজ পড়ে সাইকেল জিতল তারা

  লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৫ মে ২০২১, ২২:৫৪:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন লাকসাম উপজেলার নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও বুয়েটের ছাত্র। সেই ঘোষণায় আকৃষ্ট হয়ে টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার জিতে নিয়েছে ১১ জন শিশু-কিশোর।

শনিবার বিকালে উপজেলার লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে মসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলাম ও বুয়েটের ছাত্র আমীর ফয়সালের উদ্যোগে পুরস্কারে আয়োজন করা হয়েছে।

জানা যায়, কয়েকদিন আগে উপজেলার নরপাটি জামে মসজিদে ঘোষণা দিয়েছিলেন, ১০ থেকে ১৫ বছরের বয়সের শিশু-কিশোররা যদি একটানা ৪০ দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে, তাহলে তাদেরকে একটি করে সাইকেল পুরষ্কার দেয়া হবে। সে ঘোষণায় উৎসাহিত হয়ে এলাকার প্রায় ১০০ জন শিশু কিশোরই নামাজে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে টানা ৪০ দিন নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করেছে ১১ জন।

বুয়েটের ছাত্র আমীর ফয়সাল ও মসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলাম শনিবার ওই ১১ শিশু-কিশোরকে একটি করে সাইকেল আর বাকিদেরকে খেলা-ধুলা সামগ্রী পুরষ্কার হিসেবে দেওয়া হয়।

শিশু-কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখী করার লক্ষ্যে আয়োজিত এমন উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে।

বিষয়টি সম্পর্কে নরপাটি কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘোষণার পর থেকে প্রায় শতাধিক কিশোর মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা শুরু করে। তারা ঠিকমতো নামাজ আদায় করছে কিনা তা হিসাব রাখার জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর হাজিরা নেয়া হতো। যদি কেউ কোনো ওয়াক্তে অনুপস্থিত থাকতো তখন তার গণনা বন্ধ করে দেয়া হতো। তবে সে চাইলে তার নাম আবার লিখিয়ে নতুন করে নামাজের দিন গণনা শুরু করতে পারত। এভাবে নিয়মিত যাচাই-বাছাই ও হাজিরার ভিত্তিতে সর্বশেষ ১১ জন বিজয়ী হয়।

তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতা চলাকালে তাদের শুধু নামাজই পড়ানো হয়নি। বরং সঠিকভাবে নামাজ শিক্ষা ও নামাজ সম্পর্কে জরুরি মাসয়ালাও শেখানো হয়। সেই সঙ্গে তালিম-তরবিয়ত এবং নামাজের প্রতি মানুষকে আহবানের পাশাপাশি দ্বীনি ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া হয়েছে।

নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সদস্যরা বলেন, এটা একটা বিরাট ঘটনা। সবাই দোয়া করবেন এই বাচ্চাদের জন্য, ওরা যেন আমৃত্যু মসজিদের সঙ্গে এমন সম্পর্কে রাখতে পারে। এতে অন্য শিশু-কিশোররা নামাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ হবে।

নামাজ পড়ে সাইকেল জিতল তারা

 লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৫ মে ২০২১, ১০:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন লাকসাম উপজেলার নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও বুয়েটের ছাত্র। সেই ঘোষণায় আকৃষ্ট হয়ে টানা ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার জিতে নিয়েছে ১১ জন শিশু-কিশোর।

শনিবার বিকালে উপজেলার লাকসাম পূর্ব ইউনিয়নের নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাঠে মসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলাম ও বুয়েটের ছাত্র আমীর ফয়সালের উদ্যোগে পুরস্কারে আয়োজন করা হয়েছে।    

জানা যায়, কয়েকদিন আগে উপজেলার নরপাটি জামে মসজিদে  ঘোষণা দিয়েছিলেন, ১০ থেকে ১৫ বছরের বয়সের শিশু-কিশোররা যদি একটানা ৪০ দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে, তাহলে তাদেরকে একটি করে সাইকেল পুরষ্কার দেয়া হবে। সে ঘোষণায় উৎসাহিত হয়ে এলাকার প্রায় ১০০ জন শিশু  কিশোরই নামাজে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে টানা ৪০ দিন নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায় করেছে ১১ জন।

বুয়েটের ছাত্র আমীর ফয়সাল ও  মসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলাম শনিবার ওই ১১ শিশু-কিশোরকে একটি করে সাইকেল   আর বাকিদেরকে খেলা-ধুলা সামগ্রী পুরষ্কার হিসেবে দেওয়া হয়।

শিশু-কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখী করার লক্ষ্যে আয়োজিত এমন উদ্যোগ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অনেকে।

বিষয়টি সম্পর্কে নরপাটি কেন্দ্রীয় জামেমসজিদের খতিব মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘোষণার পর থেকে প্রায় শতাধিক কিশোর মসজিদে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা শুরু করে। তারা ঠিকমতো নামাজ আদায় করছে কিনা তা হিসাব রাখার জন্য প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর হাজিরা নেয়া হতো। যদি কেউ কোনো ওয়াক্তে অনুপস্থিত থাকতো তখন তার গণনা বন্ধ করে দেয়া হতো। তবে সে চাইলে তার নাম আবার লিখিয়ে নতুন করে নামাজের দিন গণনা শুরু করতে পারত। এভাবে নিয়মিত যাচাই-বাছাই ও হাজিরার ভিত্তিতে সর্বশেষ ১১ জন বিজয়ী হয়।

তিনি আরও  বলেন, প্রতিযোগিতা চলাকালে তাদের শুধু নামাজই পড়ানো হয়নি। বরং সঠিকভাবে নামাজ শিক্ষা ও নামাজ সম্পর্কে জরুরি মাসয়ালাও শেখানো হয়। সেই সঙ্গে তালিম-তরবিয়ত এবং নামাজের প্রতি মানুষকে আহবানের পাশাপাশি দ্বীনি ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া হয়েছে।

নরপাটি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সদস্যরা বলেন, এটা একটা বিরাট ঘটনা। সবাই দোয়া করবেন এই বাচ্চাদের জন্য, ওরা যেন আমৃত্যু মসজিদের সঙ্গে এমন সম্পর্কে রাখতে পারে। এতে অন্য শিশু-কিশোররা নামাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন