ভালোবেসে বিয়ের এক বছর পর গৃহবধূর আত্মহত্যা
jugantor
ভালোবেসে বিয়ের এক বছর পর গৃহবধূর আত্মহত্যা

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

১৬ মে ২০২১, ১৪:৪৯:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় ভালোবেসে বিয়ের এক বছর পর স্বামীর ওপর অভিমান করে এক গৃহবধূ নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের নাম ইয়াসমিন আক্তার (১৯)।

রোববার ভোরে উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের বিলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইয়াসমিন আক্তার নোয়াখালী জেলা শহরের বাসিন্দা ইসমাইল শেখের মেয়ে।

নিহতের স্বামী হৃদয় বলেন, আমি ঢাকায় টেইলার্সের কাজ করি। আমার স্ত্রী গার্মেন্টসে কাজ করত। এক বছর আগে ভালোবেসে আমরা বিয়ে করি।

ঈদের আগের দিন আমি বাড়িতে আসি। বাড়ি আসার পর থেকেই আমার স্ত্রী তার বাবার বাড়ি নোয়াখালীতে যেতে চায়।

লকডাউনের কারণে যাতায়াতে সমস্যা থাকায় তাকে নিষেধ করি। এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে রোববার তাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় দিই।

এর পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমি ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে দেখি ইয়াসমিন ঘরের বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। তা দেখে আমি চিৎকার দিলে আমার বাবা- মা ছুটে আসে। পরে আমরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নিচে নামাই। রাতের যে কোনো সময় সে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপারে গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং আত্মহত্যার বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভালোবেসে বিয়ের এক বছর পর গৃহবধূর আত্মহত্যা

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
১৬ মে ২০২১, ০২:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় ভালোবেসে বিয়ের এক বছর পর স্বামীর ওপর অভিমান করে এক গৃহবধূ নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিহতের নাম ইয়াসমিন আক্তার (১৯)।

রোববার ভোরে উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের বিলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ইয়াসমিন আক্তার নোয়াখালী জেলা শহরের বাসিন্দা ইসমাইল শেখের মেয়ে।

নিহতের স্বামী হৃদয় বলেন, আমি ঢাকায় টেইলার্সের কাজ করি। আমার স্ত্রী গার্মেন্টসে কাজ করত। এক বছর আগে ভালোবেসে আমরা বিয়ে করি।

ঈদের আগের দিন আমি বাড়িতে আসি। বাড়ি আসার পর থেকেই আমার স্ত্রী তার বাবার বাড়ি নোয়াখালীতে যেতে চায়।

লকডাউনের কারণে যাতায়াতে সমস্যা থাকায় তাকে নিষেধ করি। এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে রোববার তাকে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় দিই।

এর পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমি ঘুমিয়ে পড়ি। ভোরে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে দেখি ইয়াসমিন ঘরের বারান্দার আড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। তা দেখে আমি চিৎকার দিলে আমার বাবা- মা ছুটে আসে। পরে আমরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নিচে নামাই। রাতের যে কোনো সময় সে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ব্যাপারে গোয়ালন্দঘাট থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং আত্মহত্যার বিষয়ে কোনো অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন