তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর হামলা, ৯৯৯ নম্বরের ফোনে উদ্ধার ব্যবসায়ী পরিবার
jugantor
তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর হামলা, ৯৯৯ নম্বরের ফোনে উদ্ধার ব্যবসায়ী পরিবার

  হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

১৬ মে ২০২১, ১৭:২৩:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর মজুমদার বাড়িতে তাকালপ্রাপ্ত স্ত্রীর পক্ষের লোকজনের হাতে ব্যবসায়ী মাহবুব ও তার পরিবার হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মাহবুবসহ পরিবারের ৭ জন আহত হয়েছেন। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

শনিবারের এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মাহবুব ঢাকায় ব্যবসা করেন। ঈদের পরদিন তিনি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। মাহবুব এনায়েতপুর গ্রামের মৃত আরিফুল ইসলাম মজুমদারের ছেলে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জানতে চাইলে ব্যবসায়ী মাহবুব বলেন, গত ২০০০ সালে আমি রেহানা নামে একজনকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। পরে তার সঙ্গে বনিবনা না হলে ২০১৮ সালে আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরে আমি অন্যত্র বিয়ে করি।

তিনি বলেন, ঈদের পরদিন শনিবার আমি আমার স্ত্রী-সন্তান ও চাচাতো বোন জামাইসহ গ্রামের বাড়ি আসি। আমি পরিবারসহ আমার চাচা টিটু মজুমদারের ঘরে উঠি। হঠাৎ খবর পেয়ে আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রেহানার ভাই রুবেল, বোন স্বপ্না, শিরিনা, বোন জামাই হেলাল ও আনোয়ার আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা ঘর-দরজা ভাংচুর করে আমার বর্তমান স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর হামলা করে। এ সময় চাচাতো বোন জামাই সরওয়ার আহত হন। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীর হামলা, ৯৯৯ নম্বরের ফোনে উদ্ধার ব্যবসায়ী পরিবার

 হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
১৬ মে ২০২১, ০৫:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর মজুমদার বাড়িতে তাকালপ্রাপ্ত স্ত্রীর পক্ষের লোকজনের হাতে ব্যবসায়ী মাহবুব ও তার পরিবার হামলার শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মাহবুবসহ পরিবারের ৭ জন আহত হয়েছেন। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

শনিবারের এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মাহবুব ঢাকায় ব্যবসা করেন। ঈদের পরদিন তিনি গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। মাহবুব এনায়েতপুর গ্রামের মৃত আরিফুল ইসলাম মজুমদারের ছেলে।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জানতে চাইলে ব্যবসায়ী মাহবুব বলেন, গত ২০০০ সালে আমি রেহানা নামে একজনকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করি। পরে তার সঙ্গে বনিবনা না হলে ২০১৮ সালে আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরে আমি অন্যত্র বিয়ে করি।

তিনি বলেন, ঈদের পরদিন শনিবার আমি আমার স্ত্রী-সন্তান ও চাচাতো বোন জামাইসহ গ্রামের বাড়ি আসি। আমি পরিবারসহ আমার চাচা টিটু মজুমদারের ঘরে উঠি। হঠাৎ খবর পেয়ে আমার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রেহানার ভাই রুবেল, বোন স্বপ্না, শিরিনা, বোন জামাই হেলাল ও  আনোয়ার আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা ঘর-দরজা ভাংচুর করে আমার বর্তমান স্ত্রী ও সন্তানদের ওপর হামলা করে। এ সময় চাচাতো বোন জামাই সরওয়ার আহত হন। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন