আ’লীগের ১১ নেতার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা
jugantor
আ’লীগের ১১ নেতার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ০১:৪৩:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ১১ নেতার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জার সহযোগী ও বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মো. দুলালের ছেলে মো. হামিদ উল্যাহ হামিদ বাদী হয়ে শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, জেলা পরিষদ সদস্য আক্রাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা ও আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসিব আহসান আলাল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জায়েদুল হক কচি, মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন অন্যতম।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ফেসবুক লাইভে দুই শতাধিক নেতাকর্মীর সামনে ঘোষণা করেন, মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার অনুসারীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই মারধরসহ প্রতিরোধ করা হবে। এতে বাদী হামিদ উল্যাহ হামিদের নেতা কাদের মির্জার মান ক্ষুণ্ণ ও তার অনুসারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামিদ উল্যাহ হামিদের দায়ের করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রুজু করা হয়েছে।

আ’লীগের ১১ নেতার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ০১:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ১১ নেতার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র কাদের মির্জার সহযোগী ও বসুরহাট পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মো. দুলালের ছেলে মো. হামিদ উল্যাহ হামিদ বাদী হয়ে শনিবার রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- কোম্পানীগঞ্জ  উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, জেলা পরিষদ সদস্য আক্রাম উদ্দিন চৌধুরী সবুজ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, সেতুমন্ত্রীর ভাগিনা ও আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসিব আহসান আলাল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জায়েদুল হক কচি, মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চৌধুরী শাহীন অন্যতম।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল ফেসবুক লাইভে দুই শতাধিক নেতাকর্মীর সামনে ঘোষণা করেন, মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার অনুসারীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই মারধরসহ প্রতিরোধ করা হবে। এতে বাদী হামিদ উল্যাহ হামিদের নেতা কাদের মির্জার মান ক্ষুণ্ণ ও তার অনুসারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, হামিদ উল্যাহ হামিদের দায়ের করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রুজু করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন