শাশুড়িকে জামাতার ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে...
jugantor
শাশুড়িকে জামাতার ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে...

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ০২:২১:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রাহিমা বেগম নামে এক নারীকে তার মেয়ের জামাতা মাথায় ও বুকে ছুরিকাঘাত করেছে। স্ত্রীসহ ১৭ দিনের সন্তানকে নিয়ে যেতে না দিলে তিনি শাশুড়িকে হত্যাচেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।

রোববার রাত সাড়ে ৮টায় ফতুল্লার পাগলা শাহিবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জামাতা কবির হোসেনকে আটক করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা রাহিমা বেগমকে (৪০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার পানখালী গ্রামের আলম হাওলাদারের ছেলে কবির হোসেন (২৪) ফতুল্লার পাগলা শাহিবাজার এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে বাসিরুল বেগমকে (২০) দুই বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কবিরের সঙ্গে তার শাশুড়ির বিরোধ চলে আসছে।

সেই বিরোধের জের ধরে বাড়ির কাছে সড়কে শাশুড়িকে একা পেয়ে মাথায় ও বুকে একাধিক ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে কবির। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে দেয় এবং তার শাশুড়িকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কবিরের দাবি, তার স্ত্রী বাসিরুল বাবার বাড়ি আসলে আর স্বামীর বাড়ি যেতে চাইতো না। বাসিরুলকে নিতে আসলে তার শাশুড়ি রাহিমা বেগম বাধা দিতেন ঝগড়া করতেন। ১৭ দিন আগে তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। তখন স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাড়ি যেতে চাইলে তার শাশুড়ি বাধা দেয়।

এতে পরিকল্পনা করেন তার শাশুড়িকে হত্যা করার। সেমতে বাড়ি থেকে ধারালো বড় কেচি নিয়ে এসে শ্বশুরবাড়ির কাছে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে এবং শাশুড়ি আসা মাত্রই কেচি দিয়ে মাথায় ও বুকে একাধিক আঘাত করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, কবিরকে আটক করা হয়েছে। আহত নারীর চিকিৎসা চলছে ঢাকা মেডিকেলে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শাশুড়িকে জামাতার ছুরিকাঘাতের নেপথ্যে...

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ০২:২১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রাহিমা বেগম নামে এক নারীকে তার মেয়ের জামাতা মাথায় ও বুকে ছুরিকাঘাত করেছে। স্ত্রীসহ ১৭ দিনের সন্তানকে নিয়ে যেতে না দিলে তিনি শাশুড়িকে হত্যাচেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।

রোববার রাত সাড়ে ৮টায় ফতুল্লার পাগলা শাহিবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জামাতা কবির হোসেনকে আটক করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা রাহিমা বেগমকে (৪০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার পানখালী গ্রামের আলম হাওলাদারের ছেলে কবির হোসেন (২৪) ফতুল্লার পাগলা শাহিবাজার এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে বাসিরুল বেগমকে (২০) দুই বছর আগে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কবিরের সঙ্গে তার শাশুড়ির বিরোধ চলে আসছে।

সেই বিরোধের জের ধরে বাড়ির কাছে সড়কে শাশুড়িকে একা পেয়ে মাথায় ও বুকে একাধিক ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে কবির। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে পুলিশে দেয় এবং তার শাশুড়িকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কবিরের দাবি, তার স্ত্রী বাসিরুল বাবার বাড়ি আসলে আর স্বামীর বাড়ি যেতে চাইতো না। বাসিরুলকে নিতে আসলে তার শাশুড়ি রাহিমা বেগম বাধা দিতেন ঝগড়া করতেন। ১৭ দিন আগে তাদের একটি পুত্র সন্তান জন্ম হয়। তখন স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বাড়ি যেতে চাইলে তার শাশুড়ি বাধা দেয়।

এতে পরিকল্পনা করেন তার শাশুড়িকে হত্যা করার। সেমতে বাড়ি থেকে ধারালো বড় কেচি নিয়ে এসে শ্বশুরবাড়ির কাছে রাস্তায় দাড়িয়ে থাকে এবং শাশুড়ি আসা মাত্রই কেচি দিয়ে মাথায় ও বুকে একাধিক আঘাত করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, কবিরকে আটক করা হয়েছে। আহত নারীর চিকিৎসা চলছে ঢাকা মেডিকেলে। ঘটনাটি তদন্ত চলছে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন