মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে কিশোরকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন
jugantor
মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে কিশোরকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ০৩:৩০:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে সোহাগ (১৭) নামের এক কিশোরকে গাছের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে অমানুষিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরলে এলাকায় ক্ষোভ এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় সোহাগের মা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে।

নির্যাতনের শিকার কিশোর সোহাগ (১৭) উপজেলার দক্ষিণ নোয়াগাঁও গ্রামের মুন্সী বাড়ীর আল-আমীনের ছেলে। আর অভিযুক্তরা হলেন- একই গ্রামের মোকবল হোসেনের ছেলে আশিক, মতিন মোল্লার ছেলে রুবেল ও আছমত আলীর ছেলে কামাল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে নোয়াগাঁও গ্রামের কামারচর মোড় এলাকায় হোসেনের ছেলে সজিবের দোকান থেকে একটি মোবাইল ও নগদ কিছু টাকা চুরি হয়। এ চুরির ঘটনায় আল-আমীনের ছেলে সোহাগ মোবাইল ও টাকা চুরি করেছে বলে সন্দেহ হলে বুধবার সকাল ৬টায় আশিক, রুবেল ও কামালের নেতৃত্বে একদল যুবক সোহাগকে তার বাড়ি থেকে আটক করে মোকবল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সোহাগকে গাছের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে দিনব্যাপী অমানুষিকভাবে নির্যাতন চলায়।

পরে একই এলাকার ধনু মিয়ার ছেলে নজরুলের (১৫) কাছ থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করে। নির্যাতনের ঘটনা কাউকে না বলা ও কিছুদিন গ্রাম ছাড়া থাকার হুমকি প্রদান করে সোহাগকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সোহাগ প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে সোহাগের বাবা আল-আমীন অভিযোগ করে বলেন, আমি এক জন প্রতিবন্ধী অসহায় মানুষ। ভিক্ষা করে সংসার চালাই। আমি গরিব বলেই আজ আমার ছেলে চুরি না করেও চোর হইতে হয়েছে। আমার ছেলেকে আশিক, রুবেল, মোকবল, হোসেন, হান্নান, কামালসহ আরও অনেকে বেঁধে রেখে সারাদিন মারধর করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত মোকবল হোসেন তার বাড়িতে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, যার দোকানে চুরি হয়েছে তারাই সোহাগকে আটক করেছে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় সোহাগের মা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে। বাকিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে কিশোরকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ০৩:৩০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে মোবাইল চুরির অপবাদ দিয়ে সোহাগ (১৭) নামের এক কিশোরকে গাছের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে অমানুষিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরলে এলাকায় ক্ষোভ এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।  

এ বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় সোহাগের মা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে।

নির্যাতনের শিকার কিশোর সোহাগ (১৭) উপজেলার দক্ষিণ নোয়াগাঁও গ্রামের মুন্সী বাড়ীর আল-আমীনের ছেলে। আর অভিযুক্তরা হলেন- একই গ্রামের মোকবল হোসেনের ছেলে আশিক, মতিন মোল্লার ছেলে রুবেল ও আছমত আলীর ছেলে কামাল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে নোয়াগাঁও গ্রামের কামারচর মোড় এলাকায় হোসেনের ছেলে সজিবের দোকান থেকে একটি মোবাইল ও নগদ কিছু টাকা চুরি হয়। এ চুরির ঘটনায় আল-আমীনের ছেলে সোহাগ মোবাইল ও টাকা চুরি করেছে বলে সন্দেহ হলে বুধবার সকাল ৬টায় আশিক, রুবেল ও কামালের নেতৃত্বে একদল যুবক সোহাগকে তার বাড়ি থেকে আটক করে মোকবল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সোহাগকে গাছের খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে দিনব্যাপী অমানুষিকভাবে নির্যাতন চলায়।

পরে একই এলাকার ধনু মিয়ার ছেলে নজরুলের (১৫) কাছ থেকে মোবাইলটি উদ্ধার করে। নির্যাতনের ঘটনা কাউকে না বলা ও কিছুদিন গ্রাম ছাড়া থাকার হুমকি প্রদান করে সোহাগকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সোহাগ প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

এ বিষয়ে সোহাগের বাবা আল-আমীন অভিযোগ করে বলেন, আমি এক জন প্রতিবন্ধী অসহায় মানুষ। ভিক্ষা করে সংসার চালাই। আমি গরিব বলেই আজ আমার ছেলে চুরি না করেও চোর হইতে হয়েছে। আমার ছেলেকে আশিক, রুবেল, মোকবল, হোসেন, হান্নান, কামালসহ আরও অনেকে বেঁধে রেখে সারাদিন মারধর করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

অভিযুক্ত মোকবল হোসেন তার বাড়িতে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, যার দোকানে চুরি হয়েছে তারাই সোহাগকে আটক করেছে।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে রোববার সন্ধ্যায় সোহাগের মা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করে। বাকিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন