কোয়ারেন্টিনে ভারতফেরত একজনের মৃত্যু
jugantor
কোয়ারেন্টিনে ভারতফেরত একজনের মৃত্যু

  যশোর ব্যুরো  

১৭ মে ২০২১, ১৯:৩৮:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত অসুস্থ আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রোববার সন্ধ্যার দিকে বিমল চন্দ্র দে (৬০) নামে ওই ব্যক্তি যশোর উপশহরস্থ বলাকা হোটেলে মারা যান।

মৃত বিমল চন্দ্র শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং এলাকার গৌরাঙ্গ চন্দ্র দের ছেলে। কোয়ারেন্টিনে তার সঙ্গে স্ত্রী ও ছেলে ছিলেন।

এর আগে ১৩ মে যশোর হাসান হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা আম্বিয়া খাতুন (৩৩) নামে এক ক্যানসার রোগী মারা যান।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিমল চন্দ্র ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন বিমল চন্দ্র দে। তিনি স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। গত ৮ মে তারা বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে ফেরেন। ওইদিনই তাদের যশোর উপশহরস্থ বলাকা হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। রোববার দুপুরের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিকাল পৌনে ৫টার দিকে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি মারা যান।

যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, বিমল চন্দ্র ফুসফুসের ক্যানসারের লাস্ট স্টেজে ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

তিনি আরও বলেন, বিমল, তার স্ত্রী ও ছেলের অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া তাদের প্রত্যেকের পিসিআর টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিমল চন্দ্র দের লাশ তার স্ত্রী ও ছেলে পুলিশের সহায়তায় শরীয়তপুরে নিয়ে গেছেন।

কোয়ারেন্টিনে ভারতফেরত একজনের মৃত্যু

 যশোর ব্যুরো 
১৭ মে ২০২১, ০৭:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত অসুস্থ আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। রোববার সন্ধ্যার দিকে বিমল চন্দ্র দে (৬০) নামে ওই ব্যক্তি যশোর উপশহরস্থ বলাকা হোটেলে মারা যান।

মৃত বিমল চন্দ্র শরীয়তপুর সদর উপজেলার পালং এলাকার গৌরাঙ্গ চন্দ্র দের ছেলে। কোয়ারেন্টিনে তার সঙ্গে স্ত্রী ও ছেলে ছিলেন।

এর আগে ১৩ মে যশোর হাসান হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা আম্বিয়া খাতুন (৩৩) নামে এক ক্যানসার রোগী মারা যান।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে,  বিমল চন্দ্র ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন বিমল চন্দ্র দে। তিনি স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। গত ৮ মে তারা বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে ফেরেন। ওইদিনই তাদের যশোর উপশহরস্থ বলাকা হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। রোববার দুপুরের পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিকাল পৌনে ৫টার দিকে তাকে বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি মারা যান।

যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন জানিয়েছেন, বিমল চন্দ্র ফুসফুসের ক্যানসারের লাস্ট স্টেজে ছিলেন। অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান।

তিনি আরও বলেন, বিমল, তার স্ত্রী ও ছেলের অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে। এছাড়া তাদের প্রত্যেকের পিসিআর টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিমল চন্দ্র দের লাশ তার স্ত্রী ও ছেলে পুলিশের সহায়তায় শরীয়তপুরে নিয়ে গেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন