শ্বশুরকে ফোনে জানিয়ে স্ত্রীকে হত্যা!
jugantor
শ্বশুরকে ফোনে জানিয়ে স্ত্রীকে হত্যা!

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ২২:১৪:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে শ্বশুরকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে জামাতার বিরুদ্ধে। ঘরে লাশ রেখে ওই ঘাতক স্বামীসহ পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছে।

সোমবার দুপুরের দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশি সূত্র।

ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, ১১ বছর আগে ধামরাই উপজেলার বরাটিয়া গ্রামের মো. চাঁনমিয়ার মেয়ে রোকসানা আক্তারের (৩২) সঙ্গে সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার চাকলগ্রাম মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আওলাদ হোসেনের ছেলে মো. ইয়ার হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের তিনবছর রাব্বী হোসেন নামে এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।

সন্তান জন্মের কিছু দিন পরে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। মাঝে মধ্যেই পরিবারের সবাই মিলে ওই গৃহবধূকে নির্যাতন করত। সোমবার ১২টার দিকে ইয়ার হোসেন তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে তার শ্বশুর চাঁনমিয়াকে হুমকি দিয়ে জানায়, আপনার মেয়েকে একেবারে বিদায় করে দেব। তাড়াতাড়ি নিয়ে যান। না হলে মেয়ে নয় মেয়ের লাশ উপহার দেব আপনাকে।

শ্বশুরের আসতে বিলম্ব হলে এরই জের ধরে ঘাতক স্বামীসহ পরিবারের অপরাপর সদ্যরা মিলে সোমবার ওই গৃহবধূর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হলে পরিবারের সবাই বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

আশুলিয়া থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামীর পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় সন্দেহ ঘনীভূত। তাই ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

শ্বশুরকে ফোনে জানিয়ে স্ত্রীকে হত্যা!

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ১০:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে শ্বশুরকে মোবাইল ফোনে জানিয়ে তিন ঘণ্টার মধ্যে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে জামাতার বিরুদ্ধে। ঘরে লাশ রেখে ওই ঘাতক স্বামীসহ পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছে।

সোমবার দুপুরের দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশি সূত্র।

ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী জানান, ১১ বছর আগে ধামরাই উপজেলার বরাটিয়া গ্রামের মো. চাঁনমিয়ার মেয়ে রোকসানা আক্তারের (৩২) সঙ্গে সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার চাকলগ্রাম মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আওলাদ হোসেনের ছেলে মো. ইয়ার হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের তিনবছর রাব্বী হোসেন নামে এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।

সন্তান জন্মের কিছু দিন পরে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। মাঝে মধ্যেই পরিবারের সবাই মিলে ওই গৃহবধূকে নির্যাতন করত। সোমবার ১২টার দিকে ইয়ার হোসেন তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দিয়ে তার শ্বশুর চাঁনমিয়াকে হুমকি দিয়ে জানায়, আপনার মেয়েকে একেবারে বিদায় করে দেব। তাড়াতাড়ি নিয়ে যান। না হলে মেয়ে নয় মেয়ের লাশ উপহার দেব আপনাকে।

শ্বশুরের আসতে বিলম্ব হলে এরই জের ধরে ঘাতক স্বামীসহ পরিবারের অপরাপর সদ্যরা মিলে সোমবার ওই গৃহবধূর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হলে পরিবারের সবাই বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

আশুলিয়া থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান বলেন, ওই গৃহবধূর স্বামীর পরিবারের সদস্যরা পলাতক থাকায় সন্দেহ ঘনীভূত। তাই ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন