শারীরিক দুর্বল আখ্যা দিয়ে শিক্ষক স্বামীকে তালাক
jugantor
শারীরিক দুর্বল আখ্যা দিয়ে শিক্ষক স্বামীকে তালাক

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৭ মে ২০২১, ২২:৪৭:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

তালাক

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শারীরিক দুর্বল আখ্যা দিয়ে একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে তালাক দিয়েছেন তার স্ত্রী। এ তালাক প্রত্যাহার দাবী করে পারিবারিক আদালতে মামলা করায় শ্বশুর-শাশুড়ি মারধর ও হত্যার হুমকি দেয় জামাতাকে।

এ বিষয়ে রোববার রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে জামাতা।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ৩ আগস্ট পারিবারিকভাবে ফতুল্লা থানাধীন এনায়েতনগর ইউনিয়নের মধ্য ধর্মগঞ্জ এলাকার ছোবহান মিয়ার ছেলে সালামের সঙ্গে একই থানাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্বগোপালনগর এলাকার হারুন অর রশীদের মেয়ে জহুরা আক্তারের বিয়ে হয়। সম্প্রতি জহুরা তার বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে আর স্বামীর বাড়ি আসেনি। সালাম শ্বশুর বাড়ি গিয়ে জুহুরাকে আনতে গেলে তার শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে দিবে না বলে জানান।

তখন সালাম তার অপরাধ জানতে চাইলে জুহুরা জানান- আপনার শারীরিক দুর্বলতা আছে আমি যাব না।

এ বিষয়ে সালাম জানান, আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে কিন্তু আমার শাশুড়ি ভালো না। তিনি অন্য কোথাও প্রলোভনে পড়ে আমার স্ত্রীকে অন্যত্রে জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি নারায়ণগঞ্জের বড় বড় ডাক্তারদের কাছে গিয়ে নিজেকে দেখিয়েছি। কয়েকজন ডাক্তার আমাকে সার্টিফিকেট দিয়েছে আমার কোন শারীরিক দুর্বলতা নেই।

তিনি বলেন, বিষয়টি জানিয়ে আমার শ্বশুর শাশুড়ির কাছে আমার স্ত্রীকে ফেরত চেয়েছি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার শ্বশুর শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে দিয়ে আমাকে তালাক দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমি এ তালাক মানি না। আমি আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হয়ে কোনো সহযোগিতা না পেয়ে পারিবারিক আদালতে গিয়ে তালাক প্রত্যাহার ও স্ত্রীকে ফিরে পেতে মামলা করেছি।

মামলার বিষয়য়ে জানতে পেরে আমার শ্বশুর শাশুড়ি আমাকে ঈদের দিন বাসায় ডেকে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছি।

অভিযোগ তদন্তকারী ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মহসীন মণ্ডল জানান,পারিবারিক বিষয়ে আদালতে সালাম পৃথক দুটি মামলা করেছেন। মামলা চলমান অবস্থায় যাতে কোনো ধরনের আইন অমান্য করা না হয় সে জন্য উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলেছি। শান্ত না থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সওকত আলী জানান, সালাম তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে এবং শ্বশুর শাশুড়ির অসৌজন্য আচরণের বিরুদ্ধে আমার কাছেও একটি অভিযোগ করেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে মীমাংসার জন্য বসবো। এখনো বসার সময় নির্ধারণ করিনি।

শারীরিক দুর্বল আখ্যা দিয়ে শিক্ষক স্বামীকে তালাক

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৭ মে ২০২১, ১০:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তালাক
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শারীরিক দুর্বল আখ্যা দিয়ে একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষককে তালাক দিয়েছেন তার স্ত্রী। এ তালাক প্রত্যাহার দাবী করে পারিবারিক আদালতে মামলা করায় শ্বশুর-শাশুড়ি মারধর ও হত্যার হুমকি দেয় জামাতাকে।

এ বিষয়ে রোববার রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে জামাতা।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ৩ আগস্ট পারিবারিকভাবে ফতুল্লা থানাধীন এনায়েতনগর ইউনিয়নের মধ্য ধর্মগঞ্জ এলাকার ছোবহান মিয়ার ছেলে সালামের সঙ্গে একই থানাধীন বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্বগোপালনগর এলাকার হারুন অর রশীদের মেয়ে জহুরা আক্তারের বিয়ে হয়। সম্প্রতি জহুরা তার বাবার বাড়ি বেড়াতে গিয়ে আর স্বামীর বাড়ি আসেনি। সালাম শ্বশুর বাড়ি গিয়ে জুহুরাকে আনতে গেলে তার শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে দিবে না বলে জানান।

তখন সালাম তার অপরাধ জানতে চাইলে জুহুরা জানান- আপনার শারীরিক দুর্বলতা আছে আমি যাব না।

এ বিষয়ে সালাম জানান, আমার স্ত্রীর সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে কিন্তু আমার শাশুড়ি ভালো না। তিনি অন্য কোথাও প্রলোভনে পড়ে আমার স্ত্রীকে অন্যত্রে জোর করে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি নারায়ণগঞ্জের বড় বড় ডাক্তারদের কাছে গিয়ে নিজেকে দেখিয়েছি। কয়েকজন ডাক্তার আমাকে সার্টিফিকেট দিয়েছে আমার কোন শারীরিক দুর্বলতা নেই।

তিনি বলেন, বিষয়টি জানিয়ে আমার শ্বশুর শাশুড়ির কাছে আমার স্ত্রীকে ফেরত চেয়েছি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার শ্বশুর শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে দিয়ে আমাকে তালাক দিয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমি এ তালাক মানি না। আমি আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হয়ে কোনো সহযোগিতা না পেয়ে পারিবারিক আদালতে গিয়ে তালাক প্রত্যাহার ও স্ত্রীকে ফিরে পেতে মামলা করেছি।

মামলার বিষয়য়ে জানতে পেরে আমার শ্বশুর শাশুড়ি আমাকে ঈদের দিন বাসায় ডেকে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করেছি।

অভিযোগ তদন্তকারী ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মহসীন মণ্ডল জানান,পারিবারিক বিষয়ে আদালতে সালাম পৃথক দুটি মামলা করেছেন। মামলা চলমান অবস্থায় যাতে কোনো ধরনের আইন অমান্য করা না হয় সে জন্য উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলেছি। শান্ত না থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সওকত আলী জানান, সালাম তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে এবং শ্বশুর শাশুড়ির অসৌজন্য আচরণের বিরুদ্ধে আমার কাছেও একটি অভিযোগ করেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে মীমাংসার জন্য বসবো। এখনো বসার সময় নির্ধারণ করিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন