রাতের আঁধারে চলছে দূরপাল্লার বাস, পাঁচগুণ ভাড়া আদায়
jugantor
রাতের আঁধারে চলছে দূরপাল্লার বাস, পাঁচগুণ ভাড়া আদায়

  শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি  

১৮ মে ২০২১, ১৯:৪৭:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে সরকারের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে চলছে দূরপাল্লার বাস। বাসগুলোর যাত্রীদের কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচগুণ অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার ভায়াডাঙ্গা, কর্ণঝোড়া, ঝগড়ারচর, ভারেরা, কুরুয়াসহ বিভিন্ন বাজার থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাড়িগুলো ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।

সোমবার রাত ৮টার দিকে ভায়াডাঙ্গা বাজারে গিয়ে সরেজমিন দেখা যায়, মোজাদেদ্দীয়া, নিউ মোজাদেদ্দীয়, শাহীমনিসহ বিভিন্ন কাউন্টারে দূরপাল্লার গাড়ির টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সাংবাদিক ছবি তুলতে গেলে কাউন্টার বন্ধ করা শুরু হয়।

ঢাকার যাত্রী মুসছিম উদ্দিন বলেন, কর্ণঝোড়া পাহাড়িয়া এলাকায় আমার বাড়ি, আমি ৮০০ টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছি। আসার সময় পিকআপ ভ্যানে এসেছি। আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করি। ভাড়া বেশি হলেও আমাকে যেতে হবে।

দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ থাকার পরও টিকিট বিক্রি করছেন কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে একটি গাড়ির কাউন্টার মাস্টার লাভলু মিয়া বলেন, সবাই বিক্রি করছে, তাই বিক্রি করছি।

৮০০, ১০০০ টাকা করে টিকিট বিক্রি করছেন কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গাড়ির মালিক বিক্রি করতে বলছেন।

এ ব্যাপারে জেলা মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার ঘোষ বলেন, সরকারের নির্দেশে দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু গাড়ির মালিক চুরি করে রাতের আঁধারে গাড়ি চালাচ্ছেন। এগুলো দেখবে পুলিশ প্রশাসন। সরকার যে পর্যন্ত গাড়ি চালানোর নির্দেশ না দেবে এ পর্যন্ত আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো গাড়ি চালাব না।

রাতের আঁধারে চালানো ওই সব গাড়ির বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে আমরা কিছুই বলব না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শ্রীবরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, গাড়িগুলোকে শেরপুরে আটকে দেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা আক্তার মোবাইল ফোনে বলেন, ওই সব গাড়ির বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি দেখা হবে।

রাতের আঁধারে চলছে দূরপাল্লার বাস, পাঁচগুণ ভাড়া আদায়

 শ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি 
১৮ মে ২০২১, ০৭:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে সরকারের নির্দেশ অমান্য করে রাতের আঁধারে চলছে দূরপাল্লার বাস। বাসগুলোর যাত্রীদের কাছ থেকে তিন থেকে পাঁচগুণ অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার ভায়াডাঙ্গা, কর্ণঝোড়া, ঝগড়ারচর, ভারেরা, কুরুয়াসহ বিভিন্ন বাজার থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গাড়িগুলো ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।

সোমবার রাত ৮টার দিকে ভায়াডাঙ্গা বাজারে গিয়ে সরেজমিন দেখা যায়, মোজাদেদ্দীয়া, নিউ মোজাদেদ্দীয়, শাহীমনিসহ বিভিন্ন কাউন্টারে দূরপাল্লার গাড়ির টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সাংবাদিক ছবি তুলতে গেলে কাউন্টার বন্ধ করা শুরু হয়।

ঢাকার যাত্রী মুসছিম উদ্দিন বলেন, কর্ণঝোড়া পাহাড়িয়া এলাকায় আমার বাড়ি, আমি ৮০০ টাকা দিয়ে টিকিট কিনেছি। আসার সময় পিকআপ ভ্যানে এসেছি। আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আমি ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করি। ভাড়া বেশি হলেও আমাকে যেতে হবে।

দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ থাকার পরও টিকিট বিক্রি করছেন কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে একটি গাড়ির কাউন্টার মাস্টার লাভলু মিয়া বলেন, সবাই বিক্রি করছে, তাই বিক্রি করছি।

৮০০, ১০০০ টাকা করে টিকিট বিক্রি করছেন কেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, গাড়ির মালিক বিক্রি করতে বলছেন।

এ ব্যাপারে জেলা মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার ঘোষ বলেন, সরকারের নির্দেশে দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু গাড়ির মালিক চুরি করে রাতের আঁধারে গাড়ি চালাচ্ছেন। এগুলো দেখবে পুলিশ প্রশাসন। সরকার যে পর্যন্ত গাড়ি চালানোর নির্দেশ না  দেবে এ পর্যন্ত আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো গাড়ি চালাব না।

রাতের আঁধারে চালানো ওই সব গাড়ির বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে আমাদের সমিতির পক্ষ থেকে আমরা কিছুই বলব না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শ্রীবরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, গাড়িগুলোকে শেরপুরে আটকে দেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা আক্তার মোবাইল ফোনে বলেন, ওই সব গাড়ির বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি দেখা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন