পাবনায় ঋণের দায়ে কৃষকের আত্মহত্যা
jugantor
পাবনায় ঋণের দায়ে কৃষকের আত্মহত্যা

  ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি  

১৯ মে ২০২১, ১৪:৫৯:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় ঋণের দায়ে কৃষকের আত্মহত্যা

করোনায় দিনমজুরির কাজ কমে যাওয়ায় এবং ঋণের দায়ে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় এক কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।

নিহত কৃষকের নাম আব্দুল মান্নান বাবু (৪৫)। তিনি উপজেলার পৌর সদরের ১নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহমানের ছেলে।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

নিহত বাবুর স্বজনরা জানান, আব্দুল মান্নান ব্যক্তিজীবনে এক ছেলে ও এক মেয়েসন্তানের জনক। মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন।
নিজের কোনো জমি না থাকায় লিজ, বর্গাচাষ ও দিনমজুরির কাজ করতেন তিনি। করোনার কারণে বর্তমানে তার দিনমজুরির কাজ কমে গিয়েছিল। রোজগার কমে যাওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাবু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সবার অগোচরে নিজ ঘরে তিনি গ্যাসের ট্যাবলেট খান। এর পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্বজনরা।

হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খরব পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ হাসপাতালে নিহতের সুরতহাল শেষে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠিয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার নাজমুস সাকিব বলেন, নিহত বাবুকে খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালের পৌঁছানোর কিছু সময় পর তিনি মারা যান।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া নথির বিপরীতে সুরতহাল শেষে মরদেহ অধিকতর তদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

পাবনায় ঋণের দায়ে কৃষকের আত্মহত্যা

 ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
১৯ মে ২০২১, ০২:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পাবনায় ঋণের দায়ে কৃষকের আত্মহত্যা
ছবি: যুগান্তর

করোনায় দিনমজুরির কাজ কমে যাওয়ায় এবং ঋণের দায়ে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় এক কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।

 নিহত কৃষকের নাম আব্দুল মান্নান বাবু (৪৫)। তিনি উপজেলার পৌর সদরের ১নং ওয়ার্ডের আব্দুর রহমানের ছেলে।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন।

নিহত বাবুর স্বজনরা জানান, আব্দুল মান্নান ব্যক্তিজীবনে এক ছেলে ও এক মেয়েসন্তানের জনক। মেয়ের বিয়েও দিয়েছেন।
নিজের কোনো জমি না থাকায় লিজ, বর্গাচাষ ও দিনমজুরির কাজ করতেন তিনি। করোনার কারণে বর্তমানে তার দিনমজুরির কাজ কমে গিয়েছিল। রোজগার কমে যাওয়ায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাবু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সবার অগোচরে নিজ ঘরে তিনি গ্যাসের ট্যাবলেট খান। এর পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্বজনরা।

হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খরব পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ হাসপাতালে নিহতের সুরতহাল শেষে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠিয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার নাজমুস সাকিব বলেন, নিহত বাবুকে খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। হাসপাতালের পৌঁছানোর কিছু সময় পর তিনি মারা যান।

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মুহম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া নথির বিপরীতে সুরতহাল শেষে মরদেহ অধিকতর তদন্তের জন্য পাবনা মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন