১৪ মাস পর খুলল হিলি ইমিগ্রেশন, ফিরল আটকেপড়া ৩৮ বাংলাদেশি
jugantor
১৪ মাস পর খুলল হিলি ইমিগ্রেশন, ফিরল আটকেপড়া ৩৮ বাংলাদেশি

  বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

১৯ মে ২০২১, ২১:৫৭:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘ ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ফিরতে শুরু করেছেন ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশি নাগরিকরা। রোববার থেকে এই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালু করা হলেও বুধবার এ চেকপোস্ট দিয়ে প্রথম দেশে প্রবেশ করেছেন ভারতে আটকে পড়া ৩৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

এদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ জন নারী। তবে তাদের বাংলাদেশে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন শেষে ছাড়পত্র দেয়া হবে।

ভারতে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির কারণে ওই দেশে আটকেপড়া এসব বাংলাদেশি নাগরিক কলকাতার বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) ও করোনা টেস্টের নেগেটিভ সনদ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি সেকেন্দার আলী জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর গত রোববার থেকে চালু হয় হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। তবে ভারত অভ্যন্তরে জটিলতার কারণে গত তিন দিন এ চেকপোস্ট দিয়ে কোনো বাংলাদেশি যাত্রী না আসলেও বুধবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত প্রথম ভারত থেকে মোট ৩৮ জন বাংলাদেশি যাত্রী দেশে ফিরেছেন। সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে তাদের নেওয়া হয়। এদের অধিকাংশই ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, ভারতের অভ্যন্তরে আরও বাংলাদেশি নাগরিক আটকা আছেন; তাদেরও পর্যায়ক্রমে আনা হবে।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ আলম বলেন, ভারত থেকে ফেরা ৩৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় সেখানে দায়িত্বরত মেডিকেল টিম দিয়ে র্যা পিড কিটসের মাধ্যমে করোনা টেস্ট করানোর পর উপজেলার আবাসিক হোটেল ভিআইপিতে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে। এদের মধ্যে যাদের করোনা টেস্টে পজিটিভ আসবে তাদের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হবে এবং জরুরি রোগীদের দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক করোনা মহামারি পরিস্থিতির জন্য গত বছরের ২৩ মার্চ থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয় যাত্রী পারাপার। প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়ায় ওই দেশে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে খুলে দেয়া হয় হিলি ইমিগ্রেশনসহ দেশের তিনটি স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন।

আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার আগে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনোভাবেই বাংলাদেশে না আসতে পারে, সেজন্য হিলি ইমিগ্রেশনে নেয়া হয়েছে সব ধরনের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে সেখানে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন।

১৪ মাস পর খুলল হিলি ইমিগ্রেশন, ফিরল আটকেপড়া ৩৮ বাংলাদেশি

 বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
১৯ মে ২০২১, ০৯:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘ ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ফিরতে শুরু করেছেন ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশি নাগরিকরা। রোববার থেকে এই ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালু করা হলেও বুধবার এ চেকপোস্ট দিয়ে প্রথম দেশে প্রবেশ করেছেন ভারতে আটকে পড়া ৩৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক।

এদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও শিশুসহ ১৩ জন নারী। তবে তাদের বাংলাদেশে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন শেষে ছাড়পত্র দেয়া হবে।

ভারতে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতির কারণে ওই দেশে আটকেপড়া এসব বাংলাদেশি নাগরিক কলকাতার বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশন থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) ও করোনা টেস্টের নেগেটিভ সনদ নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি সেকেন্দার আলী জানান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর গত রোববার থেকে চালু হয় হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। তবে ভারত অভ্যন্তরে জটিলতার কারণে গত তিন দিন এ চেকপোস্ট দিয়ে কোনো বাংলাদেশি যাত্রী না আসলেও বুধবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত প্রথম ভারত থেকে মোট ৩৮ জন বাংলাদেশি যাত্রী দেশে ফিরেছেন। সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে তাদের নেওয়া হয়। এদের অধিকাংশই ভারতে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, ভারতের অভ্যন্তরে আরও বাংলাদেশি নাগরিক আটকা আছেন; তাদেরও পর্যায়ক্রমে আনা হবে।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নুর-এ আলম বলেন, ভারত থেকে ফেরা ৩৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় সেখানে দায়িত্বরত মেডিকেল টিম দিয়ে র্যা পিড কিটসের মাধ্যমে করোনা টেস্ট করানোর পর উপজেলার আবাসিক হোটেল ভিআইপিতে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে। এদের মধ্যে যাদের করোনা টেস্টে পজিটিভ আসবে তাদের হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হবে এবং জরুরি রোগীদের দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক করোনা মহামারি পরিস্থিতির জন্য গত বছরের ২৩ মার্চ থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরের ইমিগ্রেশন দিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয় যাত্রী পারাপার। প্রায় ১৪ মাস বন্ধ থাকার পর ভারতে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়ায় ওই দেশে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে খুলে দেয়া হয় হিলি ইমিগ্রেশনসহ দেশের তিনটি স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন।

আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার আগে করোনাভাইরাসের ভয়াবহ ভ্যারিয়েন্ট যাতে কোনোভাবেই বাংলাদেশে না আসতে পারে, সেজন্য হিলি ইমিগ্রেশনে নেয়া হয়েছে সব ধরনের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে সেখানে দিনাজপুর জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করে সেই ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন