রহিমাকে ভালোবেসে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন ক্রিস্ট মার্ক (ভিডিও)
jugantor
রহিমাকে ভালোবেসে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন ক্রিস্ট মার্ক (ভিডিও)

  আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর)  

২০ মে ২০২১, ২১:০৩:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

‘ভালোবেসে সখী নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো/তোমার মনের মন্দিরে’- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের এই গান যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে যশোরের কেশবপুরের নিভৃতপল্লী মেহেরপুরে বাঙালি নারী রহিমা ও মার্কিন প্রকৌশলী ক্রিস্ট মার্ক হোগলের জীবনে।

হোগল তার ভালোবাসার মানুষের নাম মনের মন্দিরে যেমন রেখেছেন তেমনি রহিমাও হোগলকে একইভাবে ভালোবাসেন।
যুগান্তরের মাধ্যমে কেশবপুরের মেহেরপুর গ্রামের রহিমা ও আমেরিকান প্রকৌশলী ক্রিস্ট মার্ক হোগলের প্রেমকাহিনী প্রথম জেনেছে দেশ থেকে দেশান্তরের বাঙালিরা।

সেই কবে ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে দেশ ছেড়ে ভারতের বারাসত গিয়েছিলেন। তারপর মুম্বাইয়ে তাদের পরিচয়-প্রণয়। সবশেষে কেশবপুরের মেহেরপুর গ্রামে মুন্সি মেহেরুদ্দিনের মাজারের পাশে রহিমার বাবার ভিটায় সংসার পাতেন তারা।

ক্রিস হোগল বাংলার প্রকৃতি যেমন ভালোবেসে আপন করে নিয়েছেন, তেমনি সব কৃষিকাজে রহিমা এবং হোগল হাত ধরাধরি করে চলেন। ১৬ মে কথা হয় রহিমা ও ক্রিস হোগলের সঙ্গে।

হোগল জানান, তিনি বাংলাদেশকে ভালোবেসে এ দেশেই থাকতে চান। তবে এলাকার কিছু মানুষ তাদের হিংসা করে ও বিরক্ত করে। অনেকে তাদের কাছ থেকে ধারে টাকা নিয়ে উপকার পেয়ে টাকা শোধ দেয় না। টাকা চাইলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।

দুই বছর আগে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছেন।

তার ভাষায়, তিনি আশা করেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবেন। সারা জীবন তিনি ও রহিমা একসাথে থাকবেন।

ভালোবাসার এই জটিল সমীকরণের যেন শেষ নেই। তাদের কাছে যুগান্তর প্রতিনিধি প্রশ্ন করেন- ‘তাদের ভালোবাসার ঘরবাড়ি থামবে কোথায়?’ তারা সেই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে নীরব ভাষায় বলতে চেয়েছেন- একসঙ্গে থাকবেন জীবনভর।

রহিমাকে ভালোবেসে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন ক্রিস্ট মার্ক (ভিডিও)

 আজিজুর রহমান, কেশবপুর (যশোর) 
২০ মে ২০২১, ০৯:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘ভালোবেসে সখী নিভৃত যতনে আমার নামটি লিখো/তোমার মনের মন্দিরে’- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের এই গান যেন জীবন্ত হয়ে উঠেছে যশোরের কেশবপুরের নিভৃতপল্লী মেহেরপুরে বাঙালি নারী রহিমা ও মার্কিন প্রকৌশলী ক্রিস্ট মার্ক হোগলের জীবনে।

হোগল তার ভালোবাসার মানুষের নাম মনের মন্দিরে যেমন রেখেছেন তেমনি রহিমাও হোগলকে একইভাবে ভালোবাসেন।
যুগান্তরের মাধ্যমে কেশবপুরের মেহেরপুর গ্রামের রহিমা ও আমেরিকান প্রকৌশলী ক্রিস্ট মার্ক হোগলের প্রেমকাহিনী প্রথম জেনেছে দেশ থেকে দেশান্তরের বাঙালিরা।

সেই কবে ছোটবেলায় বাবা-মায়ের সঙ্গে দেশ ছেড়ে ভারতের বারাসত গিয়েছিলেন। তারপর মুম্বাইয়ে তাদের পরিচয়-প্রণয়। সবশেষে কেশবপুরের মেহেরপুর গ্রামে মুন্সি মেহেরুদ্দিনের মাজারের পাশে রহিমার বাবার ভিটায় সংসার পাতেন তারা।

ক্রিস হোগল বাংলার প্রকৃতি যেমন ভালোবেসে আপন করে নিয়েছেন, তেমনি সব কৃষিকাজে রহিমা এবং হোগল হাত ধরাধরি করে চলেন। ১৬ মে কথা হয় রহিমা ও ক্রিস হোগলের সঙ্গে।

হোগল জানান, তিনি বাংলাদেশকে ভালোবেসে এ দেশেই থাকতে চান। তবে এলাকার কিছু মানুষ তাদের হিংসা করে ও বিরক্ত করে। অনেকে তাদের কাছ থেকে ধারে টাকা নিয়ে উপকার পেয়ে টাকা শোধ দেয় না। টাকা চাইলে তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন।

দুই বছর আগে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব চেয়ে আবেদন করেছেন।

তার ভাষায়, তিনি আশা করেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাবেন। সারা জীবন তিনি ও রহিমা একসাথে থাকবেন।

ভালোবাসার এই জটিল সমীকরণের যেন শেষ নেই। তাদের কাছে যুগান্তর প্রতিনিধি প্রশ্ন করেন- ‘তাদের ভালোবাসার ঘরবাড়ি থামবে কোথায়?’ তারা সেই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে নীরব ভাষায় বলতে চেয়েছেন- একসঙ্গে থাকবেন জীবনভর।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন