ধান সংগ্রহে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন খাদ্য কর্মকর্তা
jugantor
ধান সংগ্রহে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন খাদ্য কর্মকর্তা

  আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো  

২১ মে ২০২১, ২২:৪৮:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। এই কর্মকর্তা এবারই এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানান কৃষকরা।

শুধু তাই নয়, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রদান করে বোরো ধান সংগ্রহ করার জন্য ওই কর্মকর্তা ইতোপূর্বে এলাকায় মাইকিং করে লিফলেটও বিতরণ করেছেন।

এছাড়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য লোকজনসহ কৃষকদের নিয়েও বৈঠক করে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন এই কর্মকর্তা।

অ্যাপসের পাশাপাশি আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে অতি দ্রুততার সাথে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন।

জানা যায়, কুমিল্লার মুরাদনগরে এবার ২৭৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। বিশাল এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে অফিসে বসে থাকলে চলবে না বলে মনে করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। তিনি ব্যতিক্রমধর্মী কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই মাঝে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৭ সালের নিয়মে ধান সংগ্রহের কার্যক্রমও তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। এই কর্মকর্তার নানামুখী তৎপরতার ফলে সাধারণ কৃষকরা উপজেলা খাদ্যগুদামে ধান আনা শুরু করেছেন।

ইতোপূর্বে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাস।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নুর আলম এবং ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনের উপস্থিতিতেই ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান নিয়ে আসছেন কৃষকরা।

এবার হয়রানিমুক্ত ধান সরবরাহ দেখে এবং ন্যায্যমূল্য পেয়ে খুশি এই উপজেলার অধিকাংশ কৃষক। তবে ধানের মূল্য আরও কিছু বৃদ্ধি না করা হলে পোষাবে না বলে জানান অনেক কৃষক। খাদ্য বিভাগের কাছে ধান বিক্রিতে যেসব নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয় তা অনেক কৃষকের পক্ষে সম্ভব হয় না বলে জানান কেউ কেউ। তাই খাদ্য বিভাগকে এড়িয়ে ফরিয়া ব্যবসায়ীদের কাছেই ধান বিক্রি করে দেন অনেকে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, ধান সংগ্রহে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হচ্ছে। আমি নিজেই কৃষকদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি, এতে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পেলেও আমার উপস্থিতির কারণে ধান সরবরাহ করতে রাজি হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ধান আধাপাকা থাকতেই ফরিয়া বেপারিরা কৃষকদের কাছ থেকে বেশি মূল্যে ধান ক্রয় করে ফেলছেন। এতে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে। তারপরও সরকারের দেয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ উপজেলা এবং জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

ধান সংগ্রহে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন খাদ্য কর্মকর্তা

 আবুল খায়ের, কুমিল্লা ব্যুরো 
২১ মে ২০২১, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। এই কর্মকর্তা এবারই এমন ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানান কৃষকরা।

শুধু তাই নয়, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য প্রদান করে বোরো ধান সংগ্রহ করার জন্য ওই কর্মকর্তা ইতোপূর্বে এলাকায় মাইকিং করে লিফলেটও বিতরণ করেছেন।

এছাড়া উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য লোকজনসহ কৃষকদের নিয়েও বৈঠক করে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করছেন এই কর্মকর্তা।

অ্যাপসের পাশাপাশি আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে অতি দ্রুততার সাথে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন।

জানা যায়, কুমিল্লার মুরাদনগরে এবার ২৭৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে খাদ্য বিভাগ। বিশাল এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে অফিসে বসে থাকলে চলবে না বলে মনে করেন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন। তিনি ব্যতিক্রমধর্মী কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে পৌঁছে সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এরই মাঝে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং মজুদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৭ সালের নিয়মে ধান সংগ্রহের কার্যক্রমও তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। এই কর্মকর্তার নানামুখী তৎপরতার ফলে সাধারণ কৃষকরা উপজেলা খাদ্যগুদামে ধান আনা শুরু করেছেন।

ইতোপূর্বে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাস।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নুর আলম এবং ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনের উপস্থিতিতেই ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান নিয়ে আসছেন কৃষকরা।

এবার হয়রানিমুক্ত ধান সরবরাহ দেখে এবং ন্যায্যমূল্য পেয়ে খুশি এই উপজেলার অধিকাংশ কৃষক। তবে ধানের মূল্য আরও কিছু বৃদ্ধি না করা হলে পোষাবে না বলে জানান অনেক কৃষক। খাদ্য বিভাগের কাছে ধান বিক্রিতে যেসব নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয় তা অনেক কৃষকের পক্ষে সম্ভব হয় না বলে জানান কেউ কেউ। তাই খাদ্য বিভাগকে এড়িয়ে ফরিয়া ব্যবসায়ীদের কাছেই ধান বিক্রি করে দেন অনেকে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, ধান সংগ্রহে নানা প্রতিকূলতা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য আমাদের অনেক পরিশ্রম করতে হচ্ছে। আমি নিজেই কৃষকদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি, এতে কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পেলেও আমার উপস্থিতির কারণে ধান সরবরাহ করতে রাজি হচ্ছেন।

তিনি বলেন, ধান আধাপাকা থাকতেই ফরিয়া বেপারিরা কৃষকদের কাছ থেকে বেশি মূল্যে ধান ক্রয় করে ফেলছেন। এতে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা খুবই কঠিন হয়ে পড়ছে। তারপরও সরকারের দেয়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ উপজেলা এবং জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন