দুলাভাইয়ের পরকীয়ায় আত্মাহুতি দিলেন শ্যালিকা
jugantor
দুলাভাইয়ের পরকীয়ায় আত্মাহুতি দিলেন শ্যালিকা

  ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি  

২২ মে ২০২১, ১৭:১০:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দুলাভাইয়ের সঙ্গে পরকীয়ার জেরে সেলিনা খাতুন সুমি (২২) নামে এক কলেজছাত্রী গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে আত্মহত্যা করেছে। এমনটাই দাবি সুমির পরিবারের।

শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে সুমির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃত সুমি উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের চাগ্দিগর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে। তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রী ছিলেন। সুমির দুলাভাই ফজলু একজন ক্যবল ব্যবসায়ী। প্রায় ১৫ বছর আগে সুমির বড় বোনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

সুমির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফজলু হকের সঙ্গে সুমির বড়বোন জোস্না খাতুনের প্রায় ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়। ফজলুর বাড়ি একই ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে। সম্প্রতি ফজলুর সঙ্গে শ্যালিকা সুমির পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই নিয়ে জোস্নার সঙ্গে ফজলুর সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে।

এক পর্যায়ে দুই বছর আগে তাদের তালাক হয়। এর পর ফজলু শ্যালিকা সুমিকে কাবিন রেজিস্ট্রি ছাড়াই গোপনে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে সুমি নিজ বাড়িতেই থাকত। এক পর্যায়ে সুমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরলে ফজলু নিকট আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি চায়। কিন্তু কৌশলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। ফজলুর টালবাহানায় নিরুপায় হয়ে সুমি শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে।

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন, কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

খানমরিচ ইউনিয়নের বিট পুলিশিং কর্মকর্তা এসআই রমজান আলী বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

দুলাভাইয়ের পরকীয়ায় আত্মাহুতি দিলেন শ্যালিকা

 ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
২২ মে ২০২১, ০৫:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দুলাভাইয়ের সঙ্গে পরকীয়ার জেরে সেলিনা খাতুন সুমি (২২) নামে এক কলেজছাত্রী গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে আত্মহত্যা করেছে। এমনটাই দাবি সুমির পরিবারের।

শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে সুমির লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

মৃত সুমি উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের চাগ্দিগর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে। তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের ছাত্রী ছিলেন। সুমির দুলাভাই ফজলু একজন ক্যবল ব্যবসায়ী। প্রায় ১৫ বছর আগে সুমির বড় বোনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

সুমির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফজলু হকের সঙ্গে সুমির বড়বোন জোস্না খাতুনের প্রায় ১৫ বছর আগে বিয়ে হয়। ফজলুর বাড়ি একই ইউনিয়নের রামনগর গ্রামে। সম্প্রতি ফজলুর সঙ্গে শ্যালিকা সুমির পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই নিয়ে জোস্নার সঙ্গে ফজলুর সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে।

এক পর্যায়ে দুই বছর আগে তাদের তালাক হয়। এর পর ফজলু শ্যালিকা সুমিকে কাবিন রেজিস্ট্রি ছাড়াই গোপনে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকে সুমি নিজ বাড়িতেই থাকত। এক পর্যায়ে সুমি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরলে ফজলু নিকট আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি চায়। কিন্তু কৌশলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। ফজলুর টালবাহানায় নিরুপায় হয়ে সুমি শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করে। 

সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য কফিল উদ্দিন বলেন, কলেজছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

খানমরিচ ইউনিয়নের বিট পুলিশিং কর্মকর্তা এসআই রমজান আলী বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন