চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু
jugantor
চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

  বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

২৩ মে ২০২১, ১২:২৬:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

আগুন

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। এ ঘটনায় আট বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তেলিয়াকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর নাম সাইমা (৭)। সে উপজেলার পূর্ব পুঁইছড়ি এলাকার আমান উল্লাহর মেয়ে।

স্থানীয় জানান, ওই এলাকার বাইন্যা মার্কেটসংলগ্ন আহমদ ফকিরের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা পার্শ্ববর্তী আট বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় লোকজন আগুন নিভানোর চেষ্টা চালালেও ঘরের ভেতরে ঘুমন্ত শিশু সাইমা দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।

আগুন নেভাতে গিয়ে বিভিন্নভাবে আহত হন অন্তত ১০ জন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থল গিয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- আব্দুস ছত্তার, সালেমা খাতুন, বাদশা ও বদিউল আলম, হাফেজ গিয়াস উদ্দিন, মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, শাকির আহমদ, আনোয়ারা বেগম, জয়নাল আবেদিন, জমির উদ্দিন, মুজিবুর রহমান, বেলাল উদ্দিন, রহিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, হাবীবুর রহমান, হামিদুল আজম ও মু. সেলিম উদ্দিন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম বলেন, শনিবার গভীর রাতে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শিশু নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। তার এমন মৃত্যু খুবই মর্মান্তিক।

আগুনে দগ্ধ বাকপ্রতিবন্ধী জয়নাল আবেদীন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। আগুন নেভাতে গিয়ে আমি নিজেও আহত হয়েছি। এতে আহত হয়েছে আরও আট-নয়জন।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আব্দুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে এবং গুরুতর আহত এক বাকপ্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই আটটি বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়।

চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত শিশুর মৃত্যু

 বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
২৩ মে ২০২১, ১২:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আগুন
ছবি: যুগান্তর

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় আগুনে পুড়ে ঘুমন্ত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। এ ঘটনায় আট বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তেলিয়াকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর নাম সাইমা (৭)। সে উপজেলার পূর্ব পুঁইছড়ি এলাকার আমান উল্লাহর মেয়ে।

স্থানীয় জানান, ওই এলাকার বাইন্যা মার্কেটসংলগ্ন আহমদ ফকিরের বাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে তা পার্শ্ববর্তী আট বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় লোকজন আগুন নিভানোর চেষ্টা চালালেও ঘরের ভেতরে ঘুমন্ত শিশু সাইমা দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়।

আগুন নেভাতে গিয়ে বিভিন্নভাবে আহত হন অন্তত ১০ জন।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দল ঘটনাস্থল গিয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুনে ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন- আব্দুস ছত্তার, সালেমা খাতুন, বাদশা ও বদিউল আলম, হাফেজ গিয়াস উদ্দিন, মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, শাকির আহমদ, আনোয়ারা বেগম, জয়নাল আবেদিন, জমির উদ্দিন, মুজিবুর রহমান, বেলাল উদ্দিন, রহিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন, হাবীবুর রহমান, হামিদুল আজম ও মু. সেলিম উদ্দিন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম বলেন, শনিবার গভীর রাতে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত শিশু নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। তার এমন মৃত্যু খুবই মর্মান্তিক।

আগুনে দগ্ধ বাকপ্রতিবন্ধী জয়নাল আবেদীন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। আগুন নেভাতে গিয়ে আমি নিজেও আহত হয়েছি। এতে আহত হয়েছে আরও আট-নয়জন।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার মো. আব্দুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে এবং গুরুতর আহত এক বাকপ্রতিবন্ধীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই আটটি বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন